ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানের সঙ্গে আবারও যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল বিশ্বকাপের দল ঘোষণার আগে বার্তা দিলেন নেইমার রিয়াল মাদ্রিদের রেকর্ড ভেঙে বার্সেলোনার নতুন ইতিহাস সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমাদের জিহাদ: কর্মসংস্থান মন্ত্রী শফিকুর রহমানের সঙ্গে সিঙ্গাপুর হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে দেশে ফিরলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ট্রেড লাইসেন্স পেতে হোটেল-রেস্তোরাঁয় প্রতিবন্ধীদের জন্য থাকতে হবে র‍্যাম্প-টয়লেট টিভি চ্যানেলে চাকরি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ‘এনওসি’ বাধ্যতামূলক ভারতে গরু আনতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সীমান্তে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার হামের উপসর্গে মৃত্যু: সাত হাসপাতাল ঘুরেও বাঁচানো গেল না সাজিদকে

৬৩ লাখ টাকার দুর্নীতির অভিযোগে রাজউক কর্মকর্তা ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা

৬৩ লাখ টাকার উৎসবিহীন সঞ্চয়পত্রে দুর্নীতি মামলায় রাজউক কর্মকর্তা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দায়ের করেছে দুদক।উৎসহীন বিপুল
  • আপলোড সময় : ৫ জুলাই ২০২৫, দুপুর ৩:৫৮ সময়
  • আপডেট সময় : ৫ জুলাই ২০২৫, দুপুর ৩:৫৮ সময়
৬৩ লাখ টাকার দুর্নীতির অভিযোগে রাজউক কর্মকর্তা ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা
৬৩ লাখ টাকার উৎসবিহীন সঞ্চয়পত্রে দুর্নীতি মামলায় রাজউক কর্মকর্তা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দায়ের করেছে দুদক।

উৎসহীন বিপুল অঙ্কের সঞ্চয়পত্র অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়েরকৃত মামলায় রাজউকের উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. সোহাগ মিয়া ও তার স্ত্রী ওয়াজেফু তাবাসসুম ঐশী অভিযুক্ত হয়েছেন। শনিবার (৫ জুলাই) দুদকের জনসংযোগ দপ্তর বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার দুদকের সহকারী পরিচালক নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ মার্চ ওয়াজেফু তাবাসসুম ঐশী দুদকে তার সম্পদের বিবরণ জমা দেন। ওই বিবরণীতে তিনি প্রায় ৬৩ লাখ ১১ হাজার টাকার সঞ্চয়পত্র বা অস্থাবর সম্পদের হিসাব প্রদান করেন। তিনি দাবি করেন, এই অর্থ পেয়েছেন তার পিতা মো. ওয়াজেদ আলীর কাছ থেকে।

তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, তার পিতা একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, যিনি কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে ফোরম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অবসরের সময় তিনি মোট ২৭ লাখ ৯৪ হাজার টাকার মতো গ্র্যাচুইটি ও পেনশন সুবিধা পান। তবে এই অর্থের কোনো অংশ কন্যাকে দান বা হস্তান্তরের লিখিত প্রমাণ কিংবা আর্থিক লেনদেনের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। এমনকি ঐশীর ভাই ওয়াহেদুস সাবা মিথুনের কাছ থেকেও কোনো সম্পদ হস্তান্তরের প্রমাণ মেলেনি।

দুদকের অনুসন্ধান আরও প্রকাশ করে, ঐশী একজন গৃহিণী এবং তার নিজস্ব কোনো উপার্জনের উৎস নেই। ২০২২ সালে আয়কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) গ্রহণ করলেও, কোনো রিটার্ন জমা দেননি।

তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে দুদক মনে করে, সোহাগ মিয়া ও তার স্ত্রী যৌথভাবে জ্ঞাত আয়ের বাইরে অবৈধ সম্পদ অর্জন করে তা আইনি রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এজন্য তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭ (১) ধারা এবং ফৌজদারি দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা করা হয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কেন বউয়ের হাতে ‘চড়’ খেয়েছিলেন ম্যাক্রোঁ

কেন বউয়ের হাতে ‘চড়’ খেয়েছিলেন ম্যাক্রোঁ