ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সরকার বিধবা কার্ড চালু করলে সংসদ সদস্যদের স্ত্রীরাই সবার আগে নেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ দুর্গাপূজায় নাশকতা করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টের ষড়যন্ত্র করছে পরাজিত শক্তি: রিজভী সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের ঘুম উড়ে গেছে: রাহুল গান্ধী শিক্ষার্থী-শিক্ষক কেউ চায় না, তবুও ভিসি হওয়ার লোভ যাচ্ছে না বিএনপি নেতার: সাদিক কায়েম দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ কোনো মন্তব্য করতে রা‌জি নয়: শামা ওবায়েদ দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম ককরোচ পার্টির হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণে আরও একটি তেল ট্যাংকারে আগুন নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে ‘জিরো টলারেন্স’ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই যন্তর মন্তর বিক্ষোভের স্থান নয়: ৩টি নতুন স্থান নির্ধারণ করল দিল্লি পুলিশ হেলথ কার্ড সংগ্রহে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নতুন নির্দেশনা

মেঘনা-তেঁতুলিয়া দুই মাস মাছ ধরা বন্ধ, বিপাকে দুই লক্ষাধিক জেলে পরিবার

মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও ইলিশ মাছের প্রধান প্রজনন মৌসুম নিশ্চিত করতে মার্চ থেকে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে
  • আপলোড সময় : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুর ১০:৭ সময়
  • আপডেট সময় : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুর ১০:৭ সময়
মেঘনা-তেঁতুলিয়া দুই মাস মাছ ধরা বন্ধ, বিপাকে দুই লক্ষাধিক জেলে পরিবার

মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও ইলিশ মাছের প্রধান প্রজনন মৌসুম নিশ্চিত করতে মার্চ থেকে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে দুই মাসের জন্য মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে প্রায় দুই লক্ষাধিক জেলে বেকার হয়ে পড়বেন এবং তাদের পরিবার চরম আর্থিক সংকটে পড়বে। সরকারের পক্ষ থেকে ৯০ হাজার জেলে পরিবারের জন্য চাউল বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে, জেলেরা অভিযোগ করছেন যে, এই চাউল সঠিক সময়ে বিতরণ করা হয় না এবং প্রকৃত জেলেরা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। এছাড়া, অনেক জেলে এনজিওগুলোর ঋণের কিস্তি পরিশোধে সমস্যায় আছেন।


মৎস্য বিভাগের তথ্যমতে, প্রতি বছরের মতো এবছরও ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে পহেলা মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ভোলার ভেদুরিয়া থেকে চর রুস্তম পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীতে ১০০ কিলোমিটার এবং ইলিশা থেকে চর পিয়াল পর্যন্ত মেঘনা নদীতে ৯০ কিলোমিটারসহ মোট ১৯০ কিলোমিটার নদীতে মাছ ধরা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।


জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞাকালীন ৯০ হাজার ২১৩ জন নিবন্ধিত জেলেকে মাসে ৪০ কিলোগ্রাম করে সরকারি চাউল দেওয়া হবে এবং ১৩ হাজার ৬০০ জেলেকে বিশেষ খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। তবে, জেলেরা দাবি করছেন, চাউল বরাদ্দের পাশাপাশি তাদের অন্যান্য উপকরণের জন্য নগদ অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন।


এছাড়া, অনিবন্ধিত প্রায় অর্ধলক্ষ জেলের জন্যও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে মৎস্যজীবীরা, যারা বর্তমানে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার