ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ যুদ্ধবিমান জটিলতা, মার্কিন সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় তুরস্ক নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী মির্জা আব্বাস অনেকটাই সুস্থ : আলাল শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান, আটক ৮২ ভুয়া সেন্সর সনদে বিভ্রান্তি, ‘জন নায়াগন’ মুক্তি নিয়ে ফের অনিশ্চয়তা ফিফার অনুমতিতে বিশ্বকাপে ভায়াগ্রা খেয়ে মাঠে নামবে কেইনরা ‘খামেনির রক্তের প্রতিশোধ নেওয়া হবে’-লাখো ইরানির প্রতিজ্ঞা ইনজেকশন দেওয়ার পর শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভাঙচুর যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু রাষ্ট্র: জামায়াত আমির

ঈদের নামাজের আগে কোরবানি করা যাবে?

আর মাত্র কয়েকদিন পরই পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম উম্মাহর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো কোরবানি, যার মূল উদ্দেশ্য আল্লাহর
  • আপলোড সময় : ২১ মে ২০২৬, দুপুর ২:৫৫ সময়
  • আপডেট সময় : ২১ মে ২০২৬, দুপুর ২:৫৫ সময়
ঈদের নামাজের আগে কোরবানি করা যাবে?

আর মাত্র কয়েকদিন পরই পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম উম্মাহর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো কোরবানি, যার মূল উদ্দেশ্য আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য পশু জবেহ করা।


ইসলামে কোরবানি একান্তই আল্লাহর উদ্দেশ্যে আদায় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে,

“নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু সবই আল্লাহর জন্য, যিনি বিশ্বজগতের প্রতিপালক।”

— সুরা আনআম, আয়াত ১৬২-১৬৩


এই আয়াতের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে, মুসলমানদের সব ইবাদতই হতে হবে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। তাই কোরবানিতেও থাকতে হবে পরিপূর্ণ ইখলাস ও আন্তরিকতা।


ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী, ঈদুল আজহার নামাজ আদায়ের পর থেকেই কোরবানির সময় শুরু হয়। অর্থাৎ, যে এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে ঈদের নামাজ শেষ হওয়ার আগে কোরবানি করলে তা সহিহ হবে না।


হাদিসে বর্ণিত আছে, কোরবানির দিন নবী করিম (সা.) প্রথমে ঈদের নামাজ আদায় করেন, এরপর খুতবা দেন এবং পরে কোরবানি করেন। তিনি বলেন, নামাজের আগে কেউ পশু জবেহ করলে তাকে পুনরায় কোরবানি করতে হবে।

— সহিহ বুখারি, হাদিস: ৯৮৫


তবে ইসলামী বিধান অনুযায়ী, এমন কোনো প্রত্যন্ত গ্রাম বা অঞ্চল যেখানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় না, সেখানে ১০ জিলহজ ফজরের পর থেকেই কোরবানি করা বৈধ।


হানাফি মাযহাবের ফিকহ অনুযায়ী, বড় শহর বা এমন এলাকায় যেখানে জুমা ও ঈদের জামাতের ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে ঈদের নামাজের আগে কোরবানি করা জায়েজ নয়। অন্যদিকে ছোট গ্রাম বা দুর্গম এলাকায়, যেখানে ঈদের জামাত হয় না কিংবা বাধ্যবাধকতা নেই, সেখানে সুবহে সাদিকের পর থেকেই কোরবানি করা যাবে।


অর্থাৎ, শহরাঞ্চলে ঈদের নামাজের পর কোরবানি করতে হবে, আর যেসব অঞ্চলে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় না, সেখানে ভোর হওয়ার পর থেকেই কোরবানি বৈধ।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশুর মৃত্যু

পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশুর মৃত্যু