ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
‘রাজনীতি শিখতে আমার বাসায় আসতে চান পাটওয়ারী’, দাবি মেঘনা আলমের অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন মাশরাফি বাফুফের সঙ্গে কোচের পরিকল্পনা মিলছে না রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ গাইবান্ধায় দ্বিগুন দামে চারা কিনে ধান রোপন করছে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা ‘এটাই বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়’ ইরান যুদ্ধে ৪৫টি রিপার ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ক্ষতি ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হোটেল বলে পর্যটককে হুমকি, সী-গালের ম্যানেজার গ্রেপ্তার এমপিদের স্বাধীনভাবে ভোটের সুযোগ দিতে ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করতে হবে তিন ইরানি পাইলটকে আটকের অভিযোগ অস্বীকার কাতারের

আমৃত্যু কারাদণ্ড নিয়ে কারাগারে ছয় আসামি

রাজধানীর গুলশানে সংঘটিত হোলি আর্টিজান হামলার ১০ বছর পূর্ণ হলো আজ। এক দশক আগে সংঘটিত এই জঙ্গি হামলা
  • আপলোড সময় : ১ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১০:১৪ সময়
  • আপডেট সময় : ১ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১০:১৪ সময়
আমৃত্যু কারাদণ্ড নিয়ে কারাগারে ছয় আসামি

রাজধানীর গুলশানে সংঘটিত হোলি আর্টিজান হামলার ১০ বছর পূর্ণ হলো আজ। এক দশক আগে সংঘটিত এই জঙ্গি হামলা শুধু বাংলাদেশ নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। দেশের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে ঘটনাটি এখনও স্মরণ করা হয়। ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে সশস্ত্র জঙ্গিরা গুলশানের একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়ে দেশি-বিদেশি অতিথিদের জিম্মি করে। দীর্ঘ সময় জিম্মি করে রাখার পর তারা ২২ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। নিহতদের মধ্যে বিদেশি নাগরিকদের পাশাপাশি বাংলাদেশিরাও ছিলেন।


জিম্মিদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের সময় প্রাণ হারান দুই পুলিশ কর্মকর্তা। পরে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয় এবং দীর্ঘ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। মামলার বিচার শেষে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলেও পরবর্তীতে উচ্চ আদালত সেই রায় পরিবর্তন করে তাদের আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, হামলার স্থানে সরাসরি উপস্থিত না থাকলেও তারা পরিকল্পনা, ষড়যন্ত্র ও সহযোগিতার মাধ্যমে এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।


রায়ে আদালত আরও উল্লেখ করেন, হামলার ভয়াবহতা, নিষ্ঠুরতা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাবের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই দণ্ডপ্রাপ্তদের আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দণ্ডিতদের মধ্যে একজন নিহত হয়েছেন এবং বাকিরা কারাগারে রয়েছেন। তাদের কয়েকজন সর্বোচ্চ আদালতে খালাস চেয়ে আবেদন করেছেন। বিষয়টি এখনও বিচারাধীন রয়েছে।


হামলার পরদিন পরিচালিত বিশেষ কমান্ডো অভিযানে হামলায় অংশ নেওয়া পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। সেই অভিযান দেশের সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও হোলি আর্টিজান হামলার ক্ষত এখনও পুরোপুরি মুছে যায়নি। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, নিরাপত্তা জোরদার এবং উগ্রবাদ দমনের ক্ষেত্রে এই ঘটনা বাংলাদেশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ও সতর্কবার্তা হয়ে রয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাতে ঘুম আসছে না? একজোড়া মোজাই হতে পারে সহজ সমাধান

রাতে ঘুম আসছে না? একজোড়া মোজাই হতে পারে সহজ সমাধান