জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। শাকিব খান বলেন, বিচারপ্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা, রাজনৈতিক প্রভাব ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ বারবার সামনে আসে। তিনি বলেছেন, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হওয়া প্রয়োজন। নির্দিষ্ট মূল্যায়ন মানদণ্ড নির্ধারণ এবং বাইরের হস্তক্ষেপ রোধে কঠোর নীতিমালা জরুরি। সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাই প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি দূর করতে শাকিব খান স্বচ্ছ কমিটি, অনলাইন স্কোরিং পদ্ধতি ও পাবলিক রিপোর্ট প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এতে প্রকৃত মেধাবীরা উৎসাহ পাবেন।
তিনি বলেন, দেশে প্রেক্ষাগৃহের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। তাই সারা দেশে নতুন প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। বন্ধ ও জরাজীর্ণ প্রেক্ষাগৃহ সংস্কারের জন্য স্বল্প সুদে ঋণ, করছাড় ও পুনর্গঠন তহবিল গঠন করা যেতে পারে। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে আধুনিক মাল্টিপ্লেক্স স্থাপন ও কম আসনের ডিজিটাল মিনি প্রেক্ষাগৃহ তৈরি করে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। নতুন প্রেক্ষাগৃহে ভ্যাট ও ট্যাক্সছাড়, প্রজেকশন ও সাউন্ড যন্ত্রে শুল্ক কমানো হলে বিনিয়োগ বাড়বে।
শাকিব খান আরও বলেছেন, প্রেক্ষাগৃহ শুধু সিনেমা প্রদর্শনের জায়গা নয়, সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবেও গড়ে তোলা উচিত। বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসব ও পরিবারবান্ধব কনটেন্ট প্রদর্শনের মাধ্যমে দর্শক বৃদ্ধি করা সম্ভব।
তিনি সরকারকে পেশাদার, ঝামেলামুক্ত ও নিরাপদ কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন