সারা দেশে একযোগে শুরু হয়েছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ কর্মসূচি। শিশুদের পুষ্টিহীনতা ও ভিটামিন ‘এ’-এর ঘাটতিজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে পরিচালিত এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ কোটিরও বেশি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পরিচালিত এ কার্যক্রমে বয়সভেদে শিশুদের নীল ও লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হচ্ছে। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের জন্য রয়েছে নীল রঙের ক্যাপসুল, আর ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের খাওয়ানো হচ্ছে উচ্চমাত্রার লাল রঙের ক্যাপসুল।
কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সারা দেশে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি বিভিন্ন বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও ফেরিঘাটে অস্থায়ী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানোর দায়িত্ব পালন করছেন। স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, নির্ধারিত দিনে কোনো শিশু ক্যাপসুল গ্রহণ করতে না পারলে পরদিন সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে তা গ্রহণ করা যাবে। এছাড়া দুর্গম এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত কয়েক দিন বিশেষ কার্যক্রম চলবে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের দৃষ্টিশক্তি রক্ষা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বাভাবিক শারীরিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই অভিভাবকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিকটস্থ কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। দেশে শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা প্রতিরোধে দীর্ঘদিন ধরে ভিটামিন ‘এ’ কর্মসূচি পরিচালিত হয়ে আসছে। বিরতির পর ২০২৬ সালে নতুন উদ্যমে আবারও জাতীয় পর্যায়ে এই কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন