আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় শেষ হচ্ছে। গত ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই প্রচারণা ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি’র রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫-এর ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং তাদের পক্ষে অন্য কেউ ভোটের জন্য নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ আগে প্রচারণা শুরু করতে পারবে না এবং ভোট শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রচারণা বন্ধ করতে হবে।
ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, “নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা আগে, অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় রাজনৈতিক দলের প্রচারণা বন্ধ হবে।” বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারাদেশের ২৯৯ সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তবে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত থাকায় এই আসনটি বাদ পড়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে এবং প্রার্থী সংখ্যা ২,০৩৪। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ২৭৫ জন। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছেন বিএনপি। দলটির প্রতীক ‘ধানের শীষ’ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯১ জন প্রার্থী।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৫৮ জন প্রার্থী ‘হাতপাখা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের ২২৯ জন প্রার্থী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক ব্যবহার করছেন। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে ১৯৮ জন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীকে ৩২ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ৭৬ জন ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধের এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ইসি ভোটকে আরও সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ করার চেষ্টা করছে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন