জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আয়োজিত জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঐক্য, সহনশীলতা ও দেশের অগ্রগতির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক প্রতিশোধের চেয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়া এবং জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শনিবার রাজধানীতে আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি নিজের পরিবারের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, অতীতের অন্যায়-অত্যাচারের প্রতিক্রিয়া হিসেবে প্রতিশোধ নয়, বরং জাতীয় সংহতি ও উন্নয়নের পথই বেছে নেওয়া উচিত।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে বিভেদ নয়, প্রয়োজন পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য। তিনি উল্লেখ করেন, একটি জাতি তখনই এগিয়ে যেতে পারে যখন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ একসঙ্গে কাজ করে এবং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী শহীদ ও আহতদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের ত্যাগ ও অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হবে। তবে সেই মূল্যায়নের প্রক্রিয়ায় কাউকে বঞ্চিত করা হবে না এবং ন্যায়সঙ্গত উপায়ে সবার প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিত করা হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের আবেগঘন বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও স্থিতিশীল ভবিষ্যৎ গঠনে তাদের আত্মত্যাগ ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। স্মরণসভায় মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, কূটনৈতিক প্রতিনিধিসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন