ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
গরু জবাই নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে দাঁড়াল থালাপতি বিজয়ের সরকার আপনি বিয়ের জন্য প্রস্তুত কি না, জানিয়ে দেবে এই ১৪ লক্ষণ শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে আপাতত কোনো অগ্রগতি নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আর্জেন্টিনাকে হটিয়ে শীর্ষে ফ্রান্স ‘এখনো জুলাইয়ের ভয়ানক দিনগুলোর ছবি ভেসে উঠে’ পেলে-মেসির অ্যাসিস্টের রেকর্ড ভেঙে দিতে পারেন ওলিসে পশ্চিমবঙ্গে বিতর্কিত ‘অ্যান্টি-গুন্ডা বিল’ পাস, মানবাধিকার নিয়ে উদ্বেগ গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে রাজপথে বিরোধী দল: জামায়াত আমির আনচেলত্তিকে নরওয়ের কোচ, ‘অপেক্ষা করো, আমরা আসছি’ চীনের ‘টু প্লাস টু’ ও করিডর প্রস্তাব বিবেচনা করবে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গে বিতর্কিত ‘অ্যান্টি-গুন্ডা বিল’ পাস, মানবাধিকার নিয়ে উদ্বেগ

ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় নতুন একটি জননিরাপত্তা আইন পাস হয়েছে। ‘পশ্চিমবঙ্গ জননিরাপত্তা ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ বিল-২০২৬’
  • আপলোড সময় : ২ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৫৬ সময়
  • আপডেট সময় : ২ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৫৬ সময়
পশ্চিমবঙ্গে বিতর্কিত ‘অ্যান্টি-গুন্ডা বিল’ পাস, মানবাধিকার নিয়ে উদ্বেগ

ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় নতুন একটি জননিরাপত্তা আইন পাস হয়েছে। ‘পশ্চিমবঙ্গ জননিরাপত্তা ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ বিল-২০২৬’ নামে পরিচিত এই আইনের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে আরও বিস্তৃত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনে পাস হওয়া এই আইনের লক্ষ্য হিসেবে সরকার জানিয়েছে, সংঘবদ্ধ অপরাধ, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, সহিংসতা এবং জনশৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা। একইসঙ্গে জনশৃঙ্খলা রক্ষা সংক্রান্ত সংশোধনী বিলও অনুমোদন পেয়েছে।


নতুন আইনে ‘অসামাজিক কর্মকাণ্ড’-এর আওতা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। এর ফলে নির্দিষ্ট সন্দেহের ভিত্তিতে প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা কোনো ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আটক রাখতে পারবেন। এছাড়া অপরাধী চক্রকে সহায়তা বা আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। আইনে সংঘবদ্ধ অপরাধী, চাঁদাবাজ, ভূমি দখলকারী, অবৈধ সম্পদ পাচারকারী এবং অস্ত্র, মাদক ও বিস্ফোরক সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িতদের বিশেষভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব অপরাধ মোকাবিলায় তল্লাশি, জব্দ এবং গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বাড়তি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।


অন্যদিকে নতুন সংশোধনী অনুযায়ী দাঙ্গা, অগ্নিসংযোগ বা জনঅস্থিরতার ঘটনায় সরকারি কিংবা বেসরকারি সম্পদের ক্ষতি হলে দায়ীদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করা যাবে। প্রয়োজনে পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা কিংবা উসকানিদাতাদের বিরুদ্ধেও আর্থিক দায় আরোপের সুযোগ থাকবে। তবে আইনটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মানবাধিকারকর্মী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। তাদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে রাজনৈতিক বিরোধিতা বা সামাজিক আন্দোলন দমনের ক্ষেত্রেও এই আইনের অপব্যবহার হতে পারে। তারা মনে করছেন, এর ফলে মতপ্রকাশ ও গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের পরিসর সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।


অন্যদিকে সরকার দাবি করেছে, সাধারণ আইন মেনে চলা নাগরিকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। এই আইন কেবল অপরাধী চক্র ও জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ কর্মকাণ্ড দমনের লক্ষ্যেই ব্যবহার করা হবে। আইনটি পাস হওয়ার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গজুড়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা-বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মায়ের শেষকৃত্য শেষে ক্যাম্পে ফিরলেন ফ্রান্সের কোচ

মায়ের শেষকৃত্য শেষে ক্যাম্পে ফিরলেন ফ্রান্সের কোচ