ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবি পরিচালক হচ্ছেন ৪ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ঈদ উপহারের চেক দিলেন প্রধানমন্ত্রী ইরান সফরে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, শান্তি চুক্তিতে বড় অগ্রগতির সম্ভাবনা দুই ‘শিবির নেতা’র বিরুদ্ধে অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগ ছাত্রদলের নাসিরের রেলওয়ে পুলিশের অভিযানে ২০ লাখ টাকার হেরোইনসহ নারী আটক বেসরকারি হাসপাতালেও হাম রোগী ভর্তি নেওয়ার নির্দেশ আগামী রোববারের মধ্যে দিতে হবে বিদ্যুৎ বিল, অন্যথায় জরিমানা ইরান যুদ্ধ থামাতে কাতারের তৎপরতা, তেহরানে বিশেষ প্রতিনিধিদল ট্রাম্প ও পুতিনের পর এবার চীন যাচ্ছেন শেহবাজ শরিফ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা, ছাত্রদল নেতাসহ ৮ জনের নামে মামলা

অতিরিক্ত ৯৯ লাখ পাঠ্যবইয়ের চাহিদা দেওয়া হয়েছে

বিনা মূল্যে পাঠ্যবই ছাপানো ও বিতরণ কার্যক্রমে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে চলা অনিয়ম ও অতিরিক্ত চাহিদার চিত্র এবার
  • আপলোড সময় : ২৩ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪০ সময়
  • আপডেট সময় : ২৩ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪০ সময়
অতিরিক্ত ৯৯ লাখ পাঠ্যবইয়ের চাহিদা দেওয়া হয়েছে

বিনা মূল্যে পাঠ্যবই ছাপানো ও বিতরণ কার্যক্রমে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে চলা অনিয়ম ও অতিরিক্ত চাহিদার চিত্র এবার চিহ্নিত করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। সংস্থাটির তদন্তে দেখা গেছে, প্রয়োজনের তুলনায় কোটি কোটি বই অতিরিক্ত চাহিদা দেখিয়ে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থের অপচয় করা হচ্ছিল, যা এবার রোধ করা সম্ভব হয়েছে। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য দেশের সব উপজেলা থেকে পাঠ্যবইয়ের চাহিদা সংগ্রহ করে এনসিটিবি দেখেছে মোট প্রয়োজন দাঁড়িয়েছে ২৩ কোটি ৯ লাখ ৭৫ হাজার ১১১ কপি বই। তবে আগের বছরের তুলনায় প্রায় এক কোটি বেশি চাহিদা আসায় বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়।


এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে মাঠপর্যায়ে তদন্ত চালানো হলে দেখা যায়, প্রায় ৯৯ লাখ বইয়ের কোনো বাস্তব প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ বিভিন্ন উপজেলা থেকে অতিরিক্ত ও ভুয়া চাহিদা পাঠানো হয়েছিল। এনসিটিবি সূত্রে জানা যায়, কিছু মাঠপর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং ছাপাখানা সংশ্লিষ্ট একটি প্রভাবশালী চক্র এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তালিকাও মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।


এনসিটিবির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, গত একাধিক বছর ধরে প্রতি বছরই এক থেকে দেড় কোটি অতিরিক্ত বই ছাপানোর মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার বেশি রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় হয়েছে। তবে এবার যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তা বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। ফেনীসহ বিভিন্ন জেলার উপজেলায় অস্বাভাবিকভাবে বেশি বইয়ের চাহিদা পাঠানোর তথ্যও তদন্তে উঠে এসেছে। যেমন পরশুরাম উপজেলায় আগের বছরের তুলনায় ১৭৯ শতাংশ বেশি বই চাওয়া হয়।


পরবর্তীতে নতুন করে চাহিদা যাচাইয়ের পর দেখা যায়, ৯৯ লাখেরও বেশি বইয়ের চাহিদা বাতিল হয়েছে। এতে সরকারের প্রায় ১৫০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) অধ্যাপক আবু নাসের টুকু বলেন, মাঠপর্যায়ে ভুয়া চাহিদা শনাক্ত করে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে, যার ফলে বড় অঙ্কের রাষ্ট্রীয় ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে।


এদিকে নিম্নমানের কাগজে পাঠ্যবই ছাপানোর অভিযোগে দুটি ছাপাখানার মালিককে ৩৮ লাখ টাকা জরিমানাও করেছে এনসিটিবি। তাদের বিরুদ্ধে নিয়ম ভঙ্গ ও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার পর এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ছয় দিনেই দর্শক সমাগম, টিকিট বিক্রিতে নতুন ইতিহাস গড়ল কান

ছয় দিনেই দর্শক সমাগম, টিকিট বিক্রিতে নতুন ইতিহাস গড়ল কান