ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
কোরআন শরিফে চুমু দিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে গেলেন ইরানের ফুটবলাররা সৌদিতে সাড়ে ৭ হাজারের বেশি প্রবাসী গ্রেপ্তার গুম-খুনের সম্মতি উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা, প্রশ্ন হাসনাত আবদুল্লাহর মুশতাকের মৃত্যু ছিল রাষ্ট্রের চরম ব্যর্থতা: স্মারক গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবে বিশিষ্টজনরা মাদারগঞ্জে বাসচালককে মারধরের পর ছাত্রদল কর্মীকে কুপিয়ে জখম আর্জেন্টিনার জার্সি পরে আসলে ৫০ শতাংশ ছাড়ের ঘোষণা দিয়ে ‘বিপাকে’ আইনজীবী ইসরায়েলের বিমানঘাঁটিতে ইরানের ‘ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র’ হামলা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ‘কঠিন জবাব’ দেবে ইসরায়েল, তিন দেশের আকাশসীমা সম্পূর্ণ বন্ধ ‘ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছেন, যথেষ্ট হয়েছে, এবার টেবিলে আসুন’ যশোরে যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, পুলিশের ধাওয়ায় ছত্রভঙ্গ

অতিরিক্ত ৯৯ লাখ পাঠ্যবইয়ের চাহিদা দেওয়া হয়েছে

বিনা মূল্যে পাঠ্যবই ছাপানো ও বিতরণ কার্যক্রমে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে চলা অনিয়ম ও অতিরিক্ত চাহিদার চিত্র এবার
  • আপলোড সময় : ২৩ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪০ সময়
  • আপডেট সময় : ২৩ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪০ সময়
অতিরিক্ত ৯৯ লাখ পাঠ্যবইয়ের চাহিদা দেওয়া হয়েছে

বিনা মূল্যে পাঠ্যবই ছাপানো ও বিতরণ কার্যক্রমে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে চলা অনিয়ম ও অতিরিক্ত চাহিদার চিত্র এবার চিহ্নিত করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। সংস্থাটির তদন্তে দেখা গেছে, প্রয়োজনের তুলনায় কোটি কোটি বই অতিরিক্ত চাহিদা দেখিয়ে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থের অপচয় করা হচ্ছিল, যা এবার রোধ করা সম্ভব হয়েছে। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য দেশের সব উপজেলা থেকে পাঠ্যবইয়ের চাহিদা সংগ্রহ করে এনসিটিবি দেখেছে মোট প্রয়োজন দাঁড়িয়েছে ২৩ কোটি ৯ লাখ ৭৫ হাজার ১১১ কপি বই। তবে আগের বছরের তুলনায় প্রায় এক কোটি বেশি চাহিদা আসায় বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়।


এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে মাঠপর্যায়ে তদন্ত চালানো হলে দেখা যায়, প্রায় ৯৯ লাখ বইয়ের কোনো বাস্তব প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ বিভিন্ন উপজেলা থেকে অতিরিক্ত ও ভুয়া চাহিদা পাঠানো হয়েছিল। এনসিটিবি সূত্রে জানা যায়, কিছু মাঠপর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং ছাপাখানা সংশ্লিষ্ট একটি প্রভাবশালী চক্র এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তালিকাও মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।


এনসিটিবির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, গত একাধিক বছর ধরে প্রতি বছরই এক থেকে দেড় কোটি অতিরিক্ত বই ছাপানোর মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার বেশি রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় হয়েছে। তবে এবার যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তা বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। ফেনীসহ বিভিন্ন জেলার উপজেলায় অস্বাভাবিকভাবে বেশি বইয়ের চাহিদা পাঠানোর তথ্যও তদন্তে উঠে এসেছে। যেমন পরশুরাম উপজেলায় আগের বছরের তুলনায় ১৭৯ শতাংশ বেশি বই চাওয়া হয়।


পরবর্তীতে নতুন করে চাহিদা যাচাইয়ের পর দেখা যায়, ৯৯ লাখেরও বেশি বইয়ের চাহিদা বাতিল হয়েছে। এতে সরকারের প্রায় ১৫০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) অধ্যাপক আবু নাসের টুকু বলেন, মাঠপর্যায়ে ভুয়া চাহিদা শনাক্ত করে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে, যার ফলে বড় অঙ্কের রাষ্ট্রীয় ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে।


এদিকে নিম্নমানের কাগজে পাঠ্যবই ছাপানোর অভিযোগে দুটি ছাপাখানার মালিককে ৩৮ লাখ টাকা জরিমানাও করেছে এনসিটিবি। তাদের বিরুদ্ধে নিয়ম ভঙ্গ ও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার পর এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে হস্তক্ষেপ হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি শফিকুর রহমানের

ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে হস্তক্ষেপ হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি শফিকুর রহমানের