সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে গরু চুরি, ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উপজেলার বিভিন্ন সড়কে বাঁশ দিয়ে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তারা চুরির ঘটনা ঠেকানোর চেষ্টা করছেন। স্থানীয়দের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য, পুলিশ ও গ্রাম পুলিশও যৌথভাবে নিরাপত্তা কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। রাতে পালাক্রমে পাহারা দিয়ে পুরো এলাকায় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কোরবানির ঈদকে ঘিরে বিভিন্ন এলাকায় গরু চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কারণে স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সমন্বয়ে নিরাপত্তা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটির তত্ত্বাবধানে এলাকাবাসী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একসঙ্গে কাজ করছে। সম্প্রতি উপজেলার বিয়ারা বাজারে এলাকাবাসী, পুলিশ ও গ্রাম পুলিশের সমন্বয়ে বাঁশের তৈরি চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালাতে দেখা গেছে। একইভাবে পাকুরিয়া বাজারেও ইউপি সদস্যসহ স্থানীয়রা গ্রাম পুলিশের সহযোগিতায় চেকপোস্ট বসিয়ে পাহারা দিচ্ছেন। এভাবে অন্তত ১৫টি স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
জামতৈল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম ছারোয়ার জানান, এলাকায় মাঝেমধ্যে ট্রাকে করে গরু চুরির ঘটনা ঘটছে। তাই সবাই মিলে সমন্বিতভাবে পাহারা দেওয়া হচ্ছে যাতে কোনো ধরনের চুরি না হয়। পুলিশ ও গ্রাম পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়রাও সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় পুলিশ সুপারের নির্দেশে প্রতিটি এলাকায় নিরাপত্তা কমিটি গঠন করা হয়েছে। গ্রাম পুলিশ ও সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বাঁশের অস্থায়ী চেকপোস্ট বসানোর ফলে চুরি-ডাকাতির ঘটনা অনেকটাই কমে এসেছে বলেও তিনি জানান।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন