ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের ১২ আমল কারিনার মৃত্যুতে শোক জানাতে চান না অভিনেতা আবদুল্লাহ রানা ‘শেখ হাসিনাকে নিয়ে আসবো এই দেশে, তাকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলাবো’ জামায়াত নেতার বাড়িতে মিললো ৯৬ বস্তা সরকারি চাল রাতের মধ্যে ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের আভাস ভারতের দালালদের হাত-পা ভেঙে পুলিশে সোপর্দ করতে হবে: কর্নেল অলি ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার আহ্বান আহমদীয়া মুসলিম জামাত বাংলাদেশের শান্তি সম্মেলনে বাসা ভাড়ার বিনিময়ে স্ত্রী-কন্যাকে ধর্ষণের অনুমতি: স্বামী ও বাড়িওয়ালা গ্রেপ্তার চাহিদার চেয়ে বেশি গরু জামালপুরে, অনলাইনেও চলছে বেচাকেনা পাটগ্রাম সীমান্তে অনুপ্রবেশের সময় ৭ পাসপোর্টসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি আটক

সেনাবাহিনী ও শিক্ষা উন্নয়নে তাদের বহুমুখী অবদান

“শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড”—এই ধারণাকে কেবল বক্তব্য নয়, বরং জাতীয় উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। একজন শিক্ষিত
  • আপলোড সময় : ৭ মে ২০২৬, দুপুর ১০:১৬ সময়
  • আপডেট সময় : ৭ মে ২০২৬, দুপুর ১০:১৬ সময়
সেনাবাহিনী ও শিক্ষা উন্নয়নে তাদের বহুমুখী অবদান

“শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড”—এই ধারণাকে কেবল বক্তব্য নয়, বরং জাতীয় উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। একজন শিক্ষিত নাগরিক সমাজে শক্তি, ঐক্য ও অগ্রগতির বার্তা বহন করে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশে সেনাবাহিনী শুধু দেশের নিরাপত্তায় নয়, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শৃঙ্খলা, নিয়মনিষ্ঠা, আধুনিক অবকাঠামো ও মানসম্মত শিক্ষার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।


বর্তমানে সেনাবাহিনী পরিচালিত ১২টি ক্যাডেট কলেজ, ৪৪টি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ এবং ১৯টি ইংলিশ মিডিয়ামসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এসব প্রতিষ্ঠানে সাধারণ ও সামরিক পরিবারের শিক্ষার্থীরাও অধ্যয়ন করার সুযোগ পাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে আধুনিক ল্যাব, লাইব্রেরি, অডিটরিয়াম ও খেলাধুলার সুবিধাসহ উন্নত অবকাঠামো। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে পরামর্শক সেবাও দেওয়া হয়।


শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। দক্ষ শিক্ষকরা নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যজ্ঞান নয়, বরং নৈতিকতা ও নেতৃত্বগুণেও গড়ে তুলছেন। ক্যাডেট কলেজগুলোতে কঠোর শৃঙ্খলা, আবাসিক ব্যবস্থা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বগুণ বিকাশে সহায়তা করা হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা জাতীয় পর্যায়ে সফলতা অর্জন করছে।


এছাড়া বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য ‘প্রয়াস’ নামের বিশেষায়িত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে, যেখানে তাদের উপযোগী পরিবেশে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি), মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) এবং বিভিন্ন আর্মি বিশ্ববিদ্যালয় প্রযুক্তি ও পেশাগত শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


স্বাস্থ্য ও নার্সিং শিক্ষাতেও সেনাবাহিনী পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলো অবদান রাখছে, যা দেশে দক্ষ চিকিৎসক ও নার্স তৈরিতে সহায়তা করছে। একই সঙ্গে নারীদের শিক্ষায় অংশগ্রহণ বাড়াতে পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও শিক্ষা সম্প্রসারণে সেনাবাহিনীর ভূমিকা সামাজিক উন্নয়ন ও শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে।


সামগ্রিকভাবে, শৃঙ্খলা, প্রযুক্তি, মানসম্মত শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষা কার্যক্রম দেশের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি অবদান রাখছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কেন বউয়ের হাতে ‘চড়’ খেয়েছিলেন ম্যাক্রোঁ

কেন বউয়ের হাতে ‘চড়’ খেয়েছিলেন ম্যাক্রোঁ