ফিলিপাইনসের সাবেক রাষ্ট্রপতি র্যামন ম্যাগসেসে তার রাষ্ট্রসেবা ও জনকল্যাণমূলক অবদানের জন্য বিশ্বজুড়ে শ্রদ্ধার আসনে অধিষ্ঠিত হন। ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ এক রহস্যময় বিমান দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু ঘটে। তার স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে ১৯৫৭ সালের এপ্রিল মাসে নিউ ইয়র্কে রকফেলার পরিবার ট্রাস্ট ফান্ডের সহযোগিতায় একটি ফাউন্ডেশন গঠিত হয়, যা পরবর্তীতে “এশিয়ার নোবেল” হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। ১৯৫৮ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানটি রাষ্ট্রসেবা, জনকল্যাণ, সাংবাদিকতা, সাহিত্য, সৃজনশীল যোগাযোগ এবং নেতৃত্বসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান করে আসছে। ছয় দশকের বেশি সময়ে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শত শত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
এই ঐতিহ্যকে সামনে রেখে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে একটি আন্তর্জাতিক মানের পুরস্কার প্রবর্তনের প্রস্তাব আলোচিত হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রনায়কসুলভ নেতৃত্ব, দেশপ্রেম ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার অবদানকে বিবেচনায় নিয়ে এই সম্মাননা চালু করা যেতে পারে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনীতিক, সমাজসেবক, গবেষক, সাংবাদিক ও মানবকল্যাণমূলক কাজে অবদান রাখা ব্যক্তিদের এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হবে। একটি স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে মনোনয়ন ও নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া প্রতি বছর জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে ঢাকায় একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই পুরস্কার প্রদান করা যেতে পারে, যেখানে বিশ্বের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। প্রস্তাবকদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ বিশ্বব্যাপী মানবসেবা ও নেতৃত্বের স্বীকৃতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বাংলাদেশের মর্যাদাকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও সুদৃঢ় করবে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন