ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী: শামা ওবায়েদ ‘খেলা এখনো শেষ হয়নি, আমাদেরও সময় আসবে’ প্রথমবারের মতো এক মন্ত্রণালয় সামলাতে ৩ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নিশ্চয়ই কোনও প্ল্যান আছে: বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী মন্ত্রী জাতীয় অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৫০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য ইমরান খানকে শিফা হাসপাতালে না নেওয়ায়, সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা পিটিআইয়ের ‘বোরকা আইন’: পর্তুগালে জনসমক্ষে বোরকা ও মুখঢাকা পোশাকে নিষেধাজ্ঞা এলজিআরডি মন্ত্রী হলেন ড. আবদুল মঈন খান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সাচিং প্রু জেরী তথ্যমন্ত্রী হলেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ

৫০ হাজার টাকায় বিএনপি নেতাকে খুনের চুক্তি: জবানবন্দিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় জর্ডান প্রবাসী বিএনপি কর্মী সোহেল রানা (৪০) হত্যাকাণ্ডে নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গ্রেফতার হওয়া আসামিদের
  • আপলোড সময় : ৫ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪০ সময়
  • আপডেট সময় : ৫ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪০ সময়
৫০ হাজার টাকায় বিএনপি নেতাকে খুনের চুক্তি: জবানবন্দিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় জর্ডান প্রবাসী বিএনপি কর্মী সোহেল রানা (৪০) হত্যাকাণ্ডে নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গ্রেফতার হওয়া আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানা গেছে, মাত্র ৫০ হাজার টাকার চুক্তিতে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। সোমবার (৪ মে) রাতে ভেড়ামারা থানায় সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেন মামলার সর্বশেষ অগ্রগতি তুলে ধরেন।


পুলিশ জানায়, ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর ধরমপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর বিলের ধানক্ষেতে সোহেল রানার বিকৃত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে বিবস্ত্র অবস্থায় পাওয়া যায় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ ক্ষতবিক্ষত ছিল। মুখমণ্ডল পুড়িয়ে ও শরীরের স্পর্শকাতর অংশ কেটে হত্যার পর মরদেহ ফেলে রাখা হয়। এ ঘটনায় অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা হয়। এ পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ—সুজন খলিফা ওরফে সুজন কানা, লিমন, মহিন উদ্দিন, জাহাবুল ইসলাম জাবুল ও মো. শাওন। এর মধ্যে মহিন, জাবুল ও শাওন আদালতে ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে তুষার, খোকনসহ আরও কয়েকজন এখনো পলাতক।


তদন্তে উঠে এসেছে, হত্যার আগের দিন সুজন কানার বাড়িতে একটি পরিকল্পনা বৈঠক হয়। সেখানে মহিনকে অগ্রিম ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয় এবং হত্যার পর বাকি ২৫ হাজার টাকা দেওয়ার চুক্তি হয়। পরদিন সন্ধ্যায় সোহেল রানাকে সাতবাড়িয়া বাজার থেকে রামচন্দ্রপুর বিল এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই অস্ত্র নিয়ে অপেক্ষায় ছিল কয়েকজন। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের পর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয় ছুরিকাঘাতে। পরে মরদেহ পুড়িয়ে বিকৃত করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় তারা।


পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অর্থ ভাগাভাগির বিষয়ও জবানবন্দিতে উঠে এসেছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, তদন্ত ও আসামিদের জবানবন্দি অনেকাংশে মিলে গেছে। তবে মূল অভিযুক্ত সুজন কানা পরে জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি জানান। ঘটনার পেছনে আরও কিছু বিষয় এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কানাডার সঙ্গে চুক্তি করে শুল্ক স্থগিত করলেন ট্রাম্প

কানাডার সঙ্গে চুক্তি করে শুল্ক স্থগিত করলেন ট্রাম্প