ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
মার্কিন-ইরান চুক্তি নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক জীবনের মরণকামড় দেশে বর্তমানে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লিংকন বিরতিতে, আর্টসেলের নতুন কণ্ঠ বখতিয়ার লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের ৩ জনকে গলা কেটে হত্যা বিগত সরকারের নেওয়া ১৩০০ প্রকল্পকে না ফেলতে পারছি, না গিলতে পারছি: অর্থমন্ত্রী ভেনেজুয়েলার পাশে দাঁড়াল ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা দুর্দান্ত জয়ের পর নেইমারকে নিয়ে বড় বার্তা দিলেন আনচেলত্তি এক ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল, আরেকটির বগি লাইনচ্যুত, চট্টগ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবসর ভেঙে মাঠে ফিরছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদিনহো কাতারকে বিদায় করে নকআউটের অপেক্ষায় বসনিয়া

প্রধান বিচারপতির বিদায়ী অভিভাষণ আগামীকাল

দেশের জেলা আদালতসমূহে কর্মরত উচ্চ পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে আগামীকাল রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিদায়ী অভিভাষণ দেবেন প্রধান
  • আপলোড সময় : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, বিকাল ৬:২ সময়
  • আপডেট সময় : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, বিকাল ৬:২ সময়
প্রধান বিচারপতির বিদায়ী অভিভাষণ আগামীকাল ছবি : সংগৃহীত

দেশের জেলা আদালতসমূহে কর্মরত উচ্চ পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে আগামীকাল রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিদায়ী অভিভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। এরপর আগামী ২৭ ডিসেম্বর অবসরে যাবেন তিনি। অবসরে যাওয়ার পূর্বে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এটিই হবে তার সর্বশেষ অভিভাষণ।


এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামীকাল রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে দেশের জেলা আদালতগুলোতে কর্মরত উচ্চ পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনের আয়োজন করা হয়েছে। অধিবেশনে প্রধান বিচারপতি দেশের সব জেলা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশে ‘বিদায়ী অভিভাষণ’ দেবেন। 


সংবিধানের ৯৬(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে ৬৭ বছরের পর আর বিচারকরা পদে থাকতে পারেন না। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর। সে হিসেবে চলতি বছর ২৭ ডিসেম্বর তার ৬৭ বছর পূর্ণ হবে।   


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র সৈয়দ রেফাত আহমেদ বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াডাম কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে আইন শাস্ত্রের ডিগ্রি পেয়েছিলেন।


পরবর্তীতে মাস্টার্স ও পিএইচডি করেন যুক্তরাষ্ট্রের টাফ্টস ইউনিভার্সিটির ফ্লেচার স্কুল অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসিতে। সৈয়দ রেফাত আহমেদ অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে ইউএনএইচসিআর-এর সঙ্গে কাজ করেছেন। সৈয়দ রেফাত আহমেদ ১৯৮৪ সালে ঢাকা জেলা আদালতে এবং ১৯৮৬ সালে হাই কোর্ট বিভাগে আইনজীবী হন।


২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হন। এর দুই বছর পর তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন। ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বাংলাদেশের প্রথিতযশা আইনজীবী ও সাবেক অ্যাটর্নী জেনারেল ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমেদ ও ড. সুফিয়া আহমেদের ছেলে।


ইশতিয়াক আহমেদ দুইবার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সৈয়দ রেফাত আহমেদের মা ভাষা সৈনিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ড. সুফিয়া আহমেদ বাংলাদেশের প্রথম নারী জাতীয় অধ্যাপক ছিলেন।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ব্রাজিলের খেলোয়াড়কে ঘুমের ওষুধ খাইয়েছিল আর্জেন্টাইনরা

ব্রাজিলের খেলোয়াড়কে ঘুমের ওষুধ খাইয়েছিল আর্জেন্টাইনরা