ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :

বিধানসভার আস্থা ভোটে বিজয়ের জয়

তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নাটকীয় মোড় এনে আস্থা ভোটে বড় জয় পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয়। বুধবার অনুষ্ঠিত বিধানসভা ভোটে
  • আপলোড সময় : ১৪ মে ২০২৬, সকাল ৯:১৮ সময়
  • আপডেট সময় : ১৪ মে ২০২৬, সকাল ৯:১৮ সময়
বিধানসভার আস্থা ভোটে বিজয়ের জয়

তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নাটকীয় মোড় এনে আস্থা ভোটে বড় জয় পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয়। বুধবার অনুষ্ঠিত বিধানসভা ভোটে তিনি ১৪৪টি ভোট পেয়ে আস্থা অর্জন করেন। বিপক্ষে ভোট পড়ে মাত্র ২২টি। ভোটাভুটির আগেই এম কে স্ট্যালিনের নেতৃত্বাধীন ডিএমকের ৫৯ জন বিধায়ক ওয়াকআউট করেন, আর ৫ জন ভোটদানে বিরত থাকেন। নিজ দলের পাশাপাশি আইইউএমএল, কংগ্রেস, ভিসিকে, সিপিআই, সিপিআই (এম) এবং এআইএডিএমকের বিদ্রোহী অংশের সমর্থন পান বিজয়। এর মধ্য দিয়ে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত মিলছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।


আস্থা ভোটের আগে থেকেই বিরোধী শিবিরে ভাঙনের আভাস পাওয়া যায়। এআইএডিএমকের ভেতরে নেতৃত্ব সংকট প্রকাশ্যে আসে যখন এস পি ভেলুমানি ও সি ভি শানমুগামের নেতৃত্বে প্রায় ৩০ জন বিধায়ক বিজয় সরকারের পক্ষে অবস্থান নেন। তারা দলীয় প্রধান এদাপ্পাদি কে পালানিস্বামীর বিরুদ্ধে ডিএমকের সঙ্গে গোপন সমঝোতার অভিযোগ তোলেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে কঠোর অবস্থান নেয় এআইএডিএমকে নেতৃত্ব। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিজয়ের পক্ষে ভোট দেওয়া ২৪ জন বিধায়কের সদস্যপদ বাতিলের আবেদনও করা হয়েছে।


এদিকে দলীয় পদ হারানোর পর সি ভি শানমুগাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পালানিস্বামী ভিন্নমত সহ্য করতে পারেন না এবং দীর্ঘদিন ধরে বহিষ্কারের রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে বিজয় ডিএমকেকে ‘অহংকারী’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন, তার দল এককভাবে ডিএমকের তুলনায় প্রায় ৫৩ লাখ বেশি ভোট পেয়েছে এবং জনগণের সমর্থনই বর্তমান সরকারের শক্তির মূল ভিত্তি।


রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়েও আলোচনায় রয়েছেন বিজয়। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাসস্ট্যান্ডের আশপাশে থাকা ৭০০টির বেশি মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ দেন তিনি। তবে নিজের জ্যোতিষীকে বিশেষ দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েন। পরে মিত্রদল ও বিরোধীদের চাপে সেই নিয়োগ বাতিল করা হয়।


এদিকে কেরালাতেও রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ জোটের বড় জয়ের পর নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, সব ধরনের আলোচনা শেষে বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করা হবে।


সূত্র: দ্য হিন্দু অবলম্বনে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মলিন মুখে পচা ধান মন্ত্রীকে দেখালেন হাওরের কৃষক

মলিন মুখে পচা ধান মন্ত্রীকে দেখালেন হাওরের কৃষক