ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী: শামা ওবায়েদ ‘খেলা এখনো শেষ হয়নি, আমাদেরও সময় আসবে’ প্রথমবারের মতো এক মন্ত্রণালয় সামলাতে ৩ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নিশ্চয়ই কোনও প্ল্যান আছে: বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী মন্ত্রী জাতীয় অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৫০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য ইমরান খানকে শিফা হাসপাতালে না নেওয়ায়, সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা পিটিআইয়ের ‘বোরকা আইন’: পর্তুগালে জনসমক্ষে বোরকা ও মুখঢাকা পোশাকে নিষেধাজ্ঞা এলজিআরডি মন্ত্রী হলেন ড. আবদুল মঈন খান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সাচিং প্রু জেরী তথ্যমন্ত্রী হলেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ

হু হু করে পানি ঢুকছে চলনবিলে, দুশ্চিন্তায় কৃষক

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে দেশের অন্যতম বৃহৎ বিলাঞ্চল চলনবিল-এ বাড়ছে পানির চাপ। আত্রাই নদীসহ
  • আপলোড সময় : ৪ মে ২০২৬, সকাল ৯:২৮ সময়
  • আপডেট সময় : ৪ মে ২০২৬, সকাল ৯:২৮ সময়
হু হু করে পানি ঢুকছে চলনবিলে, দুশ্চিন্তায় কৃষক

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে দেশের অন্যতম বৃহৎ বিলাঞ্চল চলনবিল-এ বাড়ছে পানির চাপ। আত্রাই নদীসহ বিভিন্ন খাল দিয়ে দ্রুতগতিতে পানি প্রবেশ করায় বিস্তীর্ণ ধানখেত ডুবে যাওয়ার আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা। ফসল রক্ষায় খালের মুখে মাটির বাঁধ নির্মাণ করে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, পানি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে নাটোর জেলার সিংড়ায় প্রায় ২৬ হাজার হেক্টর এবং গুরুদাসপুরের নিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ জমির বোরো ধান তলিয়ে যেতে পারে। যদিও রোববার নতুন করে বৃষ্টি হয়নি, তবুও নদীর পানির উচ্চতা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি এখনও ঝুঁকিপূর্ণ।


জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির কারণে নিচু এলাকার জমিগুলো আগে থেকেই পানির নিচে চলে গেছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে উজানের পানি, যা আত্রাই নদী হয়ে বিভিন্ন খাল ও বিলের মাধ্যমে চলনবিল-এ ঢুকছে। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও কৃষকেরা একযোগে খালের মুখে মাটির বাঁধ দিয়ে পানি ঠেকানোর চেষ্টা করছেন। সিংড়ায় মোট আবাদি জমির একটি বড় অংশের ধান এখনও কাটা হয়নি। একইভাবে গুরুদাসপুরেও হাজার হাজার হেক্টর জমির ধান কাটার বাকি রয়েছে, যা ঘরে তুলতে আরও দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগবে। এর মধ্যেই পানি বাড়তে থাকায় কৃষকদের উদ্বেগ বাড়ছে।


স্থানীয়দের মতে, কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যেমন কতুয়াবাড়ি ও স্লুইসগেট সংলগ্ন অংশ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। ইতোমধ্যে ভাঙা স্লুইসগেট দিয়ে পানি প্রবেশ করছে, যা ঠেকাতে বালুর বস্তা ফেলার মতো জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এদিকে কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে এবং দ্রুত ধান কাটতে আধুনিক যন্ত্র ব্যবহারের আহ্বান জানানো হচ্ছে। তবে পানি বাড়তে থাকলে যেকোনো সময় মাটির বাঁধ ভেঙে গিয়ে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ইরান ‘মার্কিন স্থল অভিযান’-এর জন্য প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছে, কৌশলে বড় পরিবর্তনের আভাস

ইরান ‘মার্কিন স্থল অভিযান’-এর জন্য প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছে, কৌশলে বড় পরিবর্তনের আভাস