ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের ১২ আমল কারিনার মৃত্যুতে শোক জানাতে চান না অভিনেতা আবদুল্লাহ রানা ‘শেখ হাসিনাকে নিয়ে আসবো এই দেশে, তাকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলাবো’ জামায়াত নেতার বাড়িতে মিললো ৯৬ বস্তা সরকারি চাল রাতের মধ্যে ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের আভাস ভারতের দালালদের হাত-পা ভেঙে পুলিশে সোপর্দ করতে হবে: কর্নেল অলি ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার আহ্বান আহমদীয়া মুসলিম জামাত বাংলাদেশের শান্তি সম্মেলনে বাসা ভাড়ার বিনিময়ে স্ত্রী-কন্যাকে ধর্ষণের অনুমতি: স্বামী ও বাড়িওয়ালা গ্রেপ্তার চাহিদার চেয়ে বেশি গরু জামালপুরে, অনলাইনেও চলছে বেচাকেনা পাটগ্রাম সীমান্তে অনুপ্রবেশের সময় ৭ পাসপোর্টসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি আটক

হু হু করে পানি ঢুকছে চলনবিলে, দুশ্চিন্তায় কৃষক

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে দেশের অন্যতম বৃহৎ বিলাঞ্চল চলনবিল-এ বাড়ছে পানির চাপ। আত্রাই নদীসহ
  • আপলোড সময় : ৪ মে ২০২৬, সকাল ৯:২৮ সময়
  • আপডেট সময় : ৪ মে ২০২৬, সকাল ৯:২৮ সময়
হু হু করে পানি ঢুকছে চলনবিলে, দুশ্চিন্তায় কৃষক

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে দেশের অন্যতম বৃহৎ বিলাঞ্চল চলনবিল-এ বাড়ছে পানির চাপ। আত্রাই নদীসহ বিভিন্ন খাল দিয়ে দ্রুতগতিতে পানি প্রবেশ করায় বিস্তীর্ণ ধানখেত ডুবে যাওয়ার আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা। ফসল রক্ষায় খালের মুখে মাটির বাঁধ নির্মাণ করে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, পানি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে নাটোর জেলার সিংড়ায় প্রায় ২৬ হাজার হেক্টর এবং গুরুদাসপুরের নিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ জমির বোরো ধান তলিয়ে যেতে পারে। যদিও রোববার নতুন করে বৃষ্টি হয়নি, তবুও নদীর পানির উচ্চতা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি এখনও ঝুঁকিপূর্ণ।


জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির কারণে নিচু এলাকার জমিগুলো আগে থেকেই পানির নিচে চলে গেছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে উজানের পানি, যা আত্রাই নদী হয়ে বিভিন্ন খাল ও বিলের মাধ্যমে চলনবিল-এ ঢুকছে। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও কৃষকেরা একযোগে খালের মুখে মাটির বাঁধ দিয়ে পানি ঠেকানোর চেষ্টা করছেন। সিংড়ায় মোট আবাদি জমির একটি বড় অংশের ধান এখনও কাটা হয়নি। একইভাবে গুরুদাসপুরেও হাজার হাজার হেক্টর জমির ধান কাটার বাকি রয়েছে, যা ঘরে তুলতে আরও দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগবে। এর মধ্যেই পানি বাড়তে থাকায় কৃষকদের উদ্বেগ বাড়ছে।


স্থানীয়দের মতে, কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যেমন কতুয়াবাড়ি ও স্লুইসগেট সংলগ্ন অংশ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। ইতোমধ্যে ভাঙা স্লুইসগেট দিয়ে পানি প্রবেশ করছে, যা ঠেকাতে বালুর বস্তা ফেলার মতো জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এদিকে কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে এবং দ্রুত ধান কাটতে আধুনিক যন্ত্র ব্যবহারের আহ্বান জানানো হচ্ছে। তবে পানি বাড়তে থাকলে যেকোনো সময় মাটির বাঁধ ভেঙে গিয়ে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কেন বউয়ের হাতে ‘চড়’ খেয়েছিলেন ম্যাক্রোঁ

কেন বউয়ের হাতে ‘চড়’ খেয়েছিলেন ম্যাক্রোঁ