ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
লাখো মুসল্লির লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত তাবুর শহর মিনা পশুরহাটে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে: কমান্ডার আরাফাত আনার হত্যা মামলায় স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দেন বাবু ১৫২ কোটি টাকা আত্মসাৎ: মূসকের সাবেক কমিশনার ওয়াহিদার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জি-৭ মাত্র ৩% সামরিক ব্যয় কমালে ক্ষুধামুক্ত হবে সারা বিশ্ব ১০০ কোটি ব্যয়ে বুয়েটে হবে ন্যানো ল্যাব: পলক প্রবৃদ্ধি টেকসই করতে পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর থেকে শক্তি সঞ্চয় করে এসেছেন : রিজভী সুনামগঞ্জে এসএস পরিবহন থেকে ভারতীয় পণ্য জব্দ বেনজীরের বিরুদ্ধে শিগগিরই মামলা : দুদক আইনজীবী

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন পাইলট আসিম জাওয়াদ

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কর্ণফুলী নদীতে বিধ্বস্ত বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত পাইলট আসিম জাওয়াদ রিফাতের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার
  • আপলোড সময় : ১১ মে ২০২৪, সকাল ৯:৩৮ সময়
  • আপডেট সময় : ১১ মে ২০২৪, সকাল ৯:৩৮ সময়
চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন পাইলট আসিম জাওয়াদ ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কর্ণফুলী নদীতে বিধ্বস্ত বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত পাইলট আসিম জাওয়াদ রিফাতের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ৩টার দিকে মানিকগঞ্জ শহরের সেওতা কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়। এর আগে, দুপুর ১২টার দিকে তাকে বহনকারী বিমানবাহিনীর-২১৯ হেলিকপ্টারটি মানিকগঞ্জের শহীদ মিরাজ-তপন স্টেডিয়ামে অবতরণ করে।

বিমান বাহিনীর ইয়াক-১৩০ প্রশিক্ষণ বিমান নিয়মিত প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ২৫ মিনিটের দিকে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর জহুরুল হক ঘাঁটি থেকে উড্ডয়নের পর প্রশিক্ষণ শেষে ফেরার সময় কর্ণফুলী নদীর মোহনার কাছে দুর্ঘটনায় পড়ে।

দুর্ঘটনার পর বিমানের দুই পাইলট উইং কমান্ডার মো. সোহান হাসান খাঁন ও স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদ জরুরি প্যারাসুট দিয়ে বিমান থেকে নদীতে অবতরণ করেন। বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর উদ্ধারকারী দল এবং স্থানীয় জেলেদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তাদের উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত চিকিৎসার জন্য তাকে বিএনএস পতেঙ্গাতে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে বিমান বাহিনীর একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নিহত স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদের জন্ম ১৯৯২ সালে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানার গোপালপুর গ্রামে। তিনি ২০০৭ সালে সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল থেকে এসএসসি, ২০০৯ সালে সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন।

বৈমানিক অসিম জাওয়াদ রিফাতের লাশের সাথে তার বাবা ডা. আমানউল্লা, স্ত্রী অন্তরা আক্তার ও দুই সন্তান হেলিকপ্টারে আসেন এবং নিহত ছেলের বহনকারী হেলিকপ্টার দেখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তার মা নিলুফা খানমসহ স্বজনরা।

সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক শিক্ষক নিলুফা আক্তার খানম ও চিকিৎসক আমানুল্লাহর একমাত্র সন্তান ছিলেন আসিম জাওয়াদ রিফাত।
জাওয়াদের খালাত ভাই মশিউর রহমান শিমুল জানান, ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে যোগ দেন করেন এবং ২০১১ সালের ১ ডিসেম্বর সর্বোচ্চ সম্মান সোর্ড অব অনার নিয়ে কমিশন লাভ করেন। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে আসিম চট্টগ্রাম বিমানবাহিনীর ঘাঁটি জহরুল হকের অফিসার্স আবাসিক এলাকার নীলিমাতে বসবাস করতেন।


  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নামাজ আদায় করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে জাতীয় ঈদগাহ মাঠ

নামাজ আদায় করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে জাতীয় ঈদগাহ মাঠ