ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক পদায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রাথমিকের বদলি স্থগিত আমি দেশে ফেরার জন্য নির্দেশনা দিয়ে কাউকে বিপদে ফেলতে চাই না ৩০ থেকে ৭০এর দশকেও সুস্থ রাখতে পারে এই অভ্যাস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দর বন্ধ, আটকা ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন বাবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম ঠাকুরগাঁও সফর, আবেগঘন বার্তা দিলেন কন্যা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, ভিন্ন চিত্র পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য ১১টি করণীয় আমল সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ওরিয়েন্টেশন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে সাদা বক

সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় আগের মতো আর দেখা মিলছে না সাদা বকের। জলবায়ু পরিবর্তন, গাছপালা নিধন, আবাদি জমিতে অতিরিক্ত
  • আপলোড সময় : ১৯ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৪৩ সময়
  • আপডেট সময় : ১৯ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৪৩ সময়
প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে সাদা বক

সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় আগের মতো আর দেখা মিলছে না সাদা বকের। জলবায়ু পরিবর্তন, গাছপালা নিধন, আবাদি জমিতে অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার, জলাশয় ভরাট এবং শিকারিদের দৌরাত্ম্যের কারণে প্রকৃতির এই সুন্দর পাখিটির সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। একসময় সিরাজগঞ্জের আকাশে দল বেঁধে বকের উড়ে চলা কিংবা বিলের পানিতে এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্য ছিল খুবই পরিচিত। কবি-সাহিত্যিকদের লেখাতেও উঠে এসেছে বকের সৌন্দর্য। কবি ফররুখ আহমদ লিখেছিলেন, ‘বকের সারি কোথা রে/লুকিয়ে গেল বাঁশবনে’। তবে সেই পরিচিত সাদা বক এখন অনেকটাই হারিয়ে যেতে বসেছে।


স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক বছর আগেও তাড়াশের চলনবিল, কামারখন্দের জবোখালি, কর্ণসূতি ও কৃষ্ণদিয়ার বিলসহ বিভিন্ন জলাভূমিতে অসংখ্য বকের দেখা মিলত। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খাবারের সন্ধানে বিল, নদী ও জলাশয়ে ঘুরে বেড়াত পাখিগুলো। সন্ধ্যা নামলেই তাদের কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠত চারপাশ। সম্প্রতি চলনবিলে দেশীয় কানি ও সাদা বকের একটি ঝাঁকের দেখা মিলেছে। তবে স্থানীয়রা বলছেন, আগের তুলনায় বকের সংখ্যা এখন অনেক কম। একসময় বক দেখতে গ্রামের শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বড়রাও বিলের আশপাশে ভিড় করতেন। এখন সেই দৃশ্য প্রায় হারিয়ে গেছে।


ধল্বেশর গ্রামের আব্দুল বারেক তালুকদার ও গোপালপুর গ্রামের ডা. অসীম মণ্ডল জানান, কয়েক বছর আগেও জবোখালি ও গোপালপুর বিলে অসংখ্য সাদা বক দেখা যেত। বর্তমানে সেখানে আগের মতো বক আসে না। সাবেক কামারখন্দ চৌবাড়ি ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক রেজাউল করিম রাজা ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন চৌধুরী জানান, জবোখালি, কর্ণসূতি ও কৃষ্ণদিয়ার বিলে আগে দলবদ্ধভাবে অসংখ্য বক দেখা যেত। শিকারসহ নানা কারণে এসব পাখির সংখ্যা এখন কমে যাচ্ছে।


জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ কে এম আনোয়ারুল হক বলেন, মিঠাপানির জলাশয়, নদী, খাল, বিল, হাওর, পুকুর ও ডোবায় সাধারণত বকের দেখা মেলে। মাছ, পোকামাকড়, শামুক, ঝিনুক ও ব্যাঙ খেয়ে তারা বেঁচে থাকে। তিনি বলেন, শস্যখেতে অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার, বিল ভরাট এবং জলাশয়ে পানির সংকট বকের খাদ্য ও আবাসস্থল নষ্ট করছে। এসব কারণে বকের সংখ্যা কমে যাচ্ছে এবং পাখিটি ধীরে ধীরে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়ছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?

রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?