ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জেতায় টাইগারদের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর মোদি-মেলোনির একান্ত মুহূর্তের ছবি প্রকাশ, আবারও ট্রেন্ডে 'ম্যালোডি' দেশে দ্রুত পে-প্যাল চালুর আশ্বাস দিলেন যুব ও ক্রীড়া এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী থানায় সেবা গ্রহণে হয়রানি হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ডিএমপি কমিশনার অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর প্রলোভনে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ, চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় আরও সময় প্রয়োজন: কাতার জুনের শেষে পাইপলাইনে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসবে জ্বালানি তেল অন্যান্য দেশেও আলোচিত বাংলাদেশের ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ যে অধ্যাদেশ পাস হয়নি সেগুলো পুনর্বিবেচনা করার প্রক্রিয়া চলছে: চিফ হুইপ পল্লবীতে ৭ বছরের শিশুকে গলা কেটে হত্যা: অভিযুক্ত সোহেল ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার

কোরবানির পশু মোটাতাজা করায় হরমোন ব্যবহার, জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে

হরমোন ব্যবহার করে গরু মোটাতাজাকরণ আইনত নিষিদ্ধ হলেও কোরবানির পশু বাজারকে কেন্দ্র করে এখনো জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ওষুধ
  • আপলোড সময় : ৬ মে ২০২৬, সকাল ৯:৫১ সময়
  • আপডেট সময় : ৬ মে ২০২৬, সকাল ৯:৫১ সময়
কোরবানির পশু মোটাতাজা করায় হরমোন ব্যবহার, জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে

হরমোন ব্যবহার করে গরু মোটাতাজাকরণ আইনত নিষিদ্ধ হলেও কোরবানির পশু বাজারকে কেন্দ্র করে এখনো জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহারের অভিযোগ উঠছে। জানা গেছে, কিছু মৌসুমি ব্যবসায়ী দ্রুত লাভের আশায় গরুর শরীরে স্টেরয়েড ও হরমোন জাতীয় ওষুধ প্রয়োগ করে পশুকে মোটা ও আকর্ষণীয় দেখানোর চেষ্টা করছেন। এসব ওষুধ বিভিন্ন দোকানে প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদিও আগের তুলনায় হরমোনের ব্যবহার কিছুটা কমেছে, তবে এটি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। এসব ক্ষতিকর উপাদান মাংসের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে টিউমার, ক্যানসার, কিডনি ও অন্যান্য মারাত্মক রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের মতে, হরমোন প্রয়োগ করা গরুর কিছু লক্ষণ থাকে—যেমন শরীরে অস্বাভাবিক পানি জমা, চাপ দিলে দেবে যাওয়া এবং মুখে অতিরিক্ত লালা। এসব লক্ষণ দেখে কিছুটা শনাক্ত করা সম্ভব।


চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এ কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, “হরমোনের ব্যবহার আইনত নিষিদ্ধ হলেও সম্পূর্ণ বন্ধ হয়নি। এগুলো মানবদেহে প্রবেশ করলে বিশেষ করে শিশুদের মস্তিষ্ক ও শারীরিক বিকাশে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।” তবে কিছু উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা দাবি করেছেন, এখন স্থায়ী খামারগুলোতে হরমোন ব্যবহার প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে এবং শুধুমাত্র ভিটামিন ইনজেকশন দেওয়া হয়। অন্যদিকে কিছু খামারি বলছেন, সীমান্ত এলাকা থেকে আনা মৌসুমি পশুতে এখনো অনিয়ন্ত্রিতভাবে এসব ওষুধ ব্যবহার করা হতে পারে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, কোরবানির পশুর বাজারে কঠোর নজরদারি না থাকলে এই ধরনের অনিয়ম পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
৩টি করে ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক, জুলাই থেকে নবম ও দশম শ্রেণিতে কার্যকর

৩টি করে ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক, জুলাই থেকে নবম ও দশম শ্রেণিতে কার্যকর