বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটি–কে ‘অসাংবিধানিক ও অবৈধ’ আখ্যা দিয়েছেন সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) পক্ষ থেকে বিসিবি কমিটি বিলুপ্ত করার ঘোষণার পর তিনি এক বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিক্রিয়া জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে আমিনুল ইসলাম বলেন, গত ৫ এপ্রিল এনএসসি যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, তার আইনগত ভিত্তি নেই। ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও বৈধ উপায়ে সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনের দায়িত্বে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজিপি সিবগাত উল্লাহ এবং এনএসসির তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচন সংক্রান্ত ১৫টি ক্লাব ও তামিম ইকবালের কাউন্সিলরশিপ নিয়ে ওঠা আপত্তিগুলো নির্বাচনের আগেই আধা-বিচারিক শুনানির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছিল।
আমিনুল ইসলাম এনএসসির পদক্ষেপকে ‘এখতিয়ারবহির্ভূত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের উদ্যোগে এই তদন্তের মূল লক্ষ্য ছিল নির্বাচিত পর্ষদকে সরিয়ে দেওয়া। তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন কমিটির কোনো বৈধতা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা এই কমিটির কর্তৃত্ব স্বীকার করি না।” আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, হাইকোর্টের চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত তিনি বিসিবির বৈধ সভাপতি হিসেবে থাকবেন।
তিনি এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বাংলাদেশ ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তরুণ ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ রক্ষার স্বার্থে বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসিকে অবিলম্বে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন