ঢাকা | |

পরিবার যাচ্ছে গ্রামে, ছুটির অপেক্ষায় চাকরিজীবী

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আর বেশি দিন বাকি নেই। ঈদের ছুটি শুরু হলে অতিরিক্ত চাপ পড়বে—এই আশঙ্কায় আগেভাগেই ঢাকা
  • আপলোড সময় : ১৪ মার্চ ২০২৬, দুপুর ১০:৪ সময়
  • আপডেট সময় : ১৪ মার্চ ২০২৬, দুপুর ১০:৪ সময়
পরিবার যাচ্ছে গ্রামে, ছুটির অপেক্ষায় চাকরিজীবী

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আর বেশি দিন বাকি নেই। ঈদের ছুটি শুরু হলে অতিরিক্ত চাপ পড়বে—এই আশঙ্কায় আগেভাগেই ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছেন অনেক মানুষ। ফলে রাজধানীর দূরপাল্লার বাস কাউন্টার ও টার্মিনালগুলোতে বেড়েছে যাত্রীদের ভিড়। শুক্রবার ছিল এবারের ঈদ যাত্রার প্রথম দিন। সকাল সাড়ে ৭টা থেকেই রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনাল ও কল্যাণপুর এলাকার কাউন্টারগুলোতে ঘরমুখী মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। যাত্রীরা কাউন্টার থেকে কাউন্টারে ঘুরে টিকিট সংগ্রহ করছেন, আর পরিবহন শ্রমিকরা যাত্রী ডাকার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।


সোহাগ পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার মেহেদী হাসান জানান, যাত্রীচাপ ভালোই রয়েছে। অনেকেই ঈদের ছুটির আগেই বাড়ির পথে রওনা হচ্ছেন। তিনি বলেন, এখন অনেকেই অনলাইনে টিকিট কাটছেন। তাই কাউন্টারে ভিড় কম মনে হলেও প্রায় সব গাড়িই যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যাচ্ছে। হানিফ এন্টারপ্রাইজের কাউন্টার মাস্টার জুয়েল বলেন, সকাল থেকেই যাত্রীদের চাপ রয়েছে। সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চারটি গাড়ি ছেড়ে গেছে এবং কোনো গাড়িই ফাঁকা যায়নি।


অনেকেই পরিবারের সদস্যদের আগে গ্রামে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত হুমায়ুন শেখ বলেন, অফিসে এখনো কয়েক দিন কাজ আছে। ঈদের ছুটি হলে টিকিট পাওয়া কঠিন হয়ে যায়, তাই পরিবারের সদস্যদের আগে পাঠিয়ে দিচ্ছি।ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদেরও সক্রিয় থাকতে দেখা গেছে। কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ থানার ইনচার্জ শ্রী কৃষ্ণপদ শর্মা জানান, ঈদকে সামনে রেখে মহাসড়কে ৮২ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে যানজট ও ভোগান্তি কমানো যায়।


এদিকে ট্রেনেও ঘরমুখী মানুষের ভিড় বেড়েছে। শুক্রবার সকাল থেকেই কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ছিল উপচে পড়া ভিড়। যাত্রীরা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে স্টেশনে হাজির হচ্ছেন, প্ল্যাটফরমজুড়ে বাড়ি ফেরার আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। স্টেশন ম্যানেজার সাজেদুল ইসলাম জানান, ঈদ যাত্রার প্রথম দিন এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক রয়েছে। ট্রেনগুলো সময়মতো ছাড়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তায় রেলওয়ে পুলিশ, র‍্যাব ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।


অন্যদিকে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, অনলাইন টিকিটের জন্য প্রায় ৩৭ লাখ মানুষ চেষ্টা করলেও সক্ষমতা অনুযায়ী মাত্র ৩৬ হাজার টিকিট দেওয়া সম্ভব হয়েছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হওয়ায় যাত্রীরা হয়রানি ছাড়াই ভ্রমণ শুরু করতে পারছেন বলেও তিনি জানান।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
ছয় দিনেই দর্শক সমাগম, টিকিট বিক্রিতে নতুন ইতিহাস গড়ল কান

ছয় দিনেই দর্শক সমাগম, টিকিট বিক্রিতে নতুন ইতিহাস গড়ল কান