ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদ অধিবেশনে যোগ দিলেন মির্জা আব্বাস এশিয়ায় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট খেলবে ব্রাজিল, প্রতিপক্ষ ও খেলার সময়সূচি ঘোষণা প্রথমবার জাতীয় সংসদের নিজ অফিসে মির্জা আব্বাস যাত্রীবিহীন উড়োজাহাজে তল্লাশি, সিটের নিচে মিললো ২০ কোটি টাকার সোনা উল্টো পথে বিমানমন্ত্রী মিল্লাতের গাড়ি, পুলিশের দুই মামলা আদালতে হাজির হয়েও আগাম জামিন পাননি নায়ক রিয়াজ তারেক রহমান ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ে দায়িত্ব নিয়েছেন: তথ্যমন্ত্রী এমবাপ্পেকে অপহরণের পরিকল্পনা! গুম প্রতিরোধ আইন ২০২৫ সালের অধ্যাদেশের চেয়ে শক্তিশালী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিউজ ডিলিট না করালে দুদকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করব: আসিফ মাহমুদ

পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পর্যটন খাতে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সম্ভাবনাময় দেশ। এই শিল্পের যথাযথ
  • আপলোড সময় : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, দুপুর ১০:২৮ সময়
  • আপডেট সময় : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, দুপুর ১০:২৮ সময়
পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ছবি : সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পর্যটন খাতে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সম্ভাবনাময় দেশ। এই শিল্পের যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে এ শিল্পের উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে।


তিনি বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে আমি আশা করি, পর্যটনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি পরিবেশগত অবক্ষয় রোধে সকলে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল অবদান রাখবেন।’


শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা এ সব কথা বলেন।তিনি বলেন, “বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২৫’ উদ্যাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।”


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, পর্যটন বর্তমানে বিশ্বজুড়ে টেকসই উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নেও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পর্যটন শিল্পের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।তিনি বলেন, “পর্যটন শিল্পের বিকাশের ফলে একদিকে আমাদের পর্যটন অঞ্চলগুলোর সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয় ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণেও সচেতনতা বাড়ছে। এ প্রেক্ষিতে জাতিসংঘের পর্যটন সংস্থা ঘোষিত দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য- ‘টেকসই উন্নয়নে পর্যটন’ যথার্থ ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করি।”


ড. ইউনূস বলেন, আমাদের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, স্থাপত্য নিদর্শন, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় জীবনধারা, ঐতিহ্যবাহী খাবার এবং অকৃত্রিম আতিথেয়তা যেকোনো দেশি-বিদেশি পর্যটককে আকর্ষণ করতে পারে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পর্যটনের এই অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতে সচেষ্ট রয়েছে।


তিনি বলেন, পর্যটন সম্ভাবনাময় অঞ্চলগুলোর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, স্থানীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সম্পদের সঠিক ব্যবহার, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের সম্প্রসারণ, সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক পরিহার এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।


প্রধান উপদেষ্টা ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয় দল থেকে বিদায় নিলেন লিওনেল মেসি

জাতীয় দল থেকে বিদায় নিলেন লিওনেল মেসি