মেট্রোরেলের কোনো এক স্টেশনে বাবা-মায়ের সঙ্গে ছবি তুলেছিল নাজিয়া ও নাফি। তারা দুজন এখন শুধু স্মৃতি। ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এ দুই ভাই বোনের। এখন পর্যন্ত ৩২জন মারা যান। এর মধ্যে ২৯ জন ছাত্র-ছাত্রী, ২ জন শিক্ষক ও ১ জন বিমান চালক । আহত প্রায় ১৭১ জন, তাদের মধ্যে ৭৮ জন গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি।
উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুলে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় বোন নাজিয়ার পর মৃত্যু হয়েছে তার ভাই নাফির (৯)। সে উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজের প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল।
গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত সোয়া ১২ টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে(আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।
নাজিয়া ও নাফি বাবা-মায়ের সঙ্গে উত্তরার কামারপাড়া এলাকায় থাকত। নাজিয়া তৃতীয় শ্রেণীতে আর নাফি প্রথম শ্রেণীতে পড়ত।
রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি বলেন, “উত্তরা বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ নাফি রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আইসিইউতে মারা যায়। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ ফ্লেইম বার্ন হয়েছিল। এর আগে গতকাল রাত তিনটার দিকে তার বোন নাজিয়া মারা যায়। তার শরীরের ৯০ শতাংশ বার্ন হয়েছিল।
স্টাফ রির্পোটার
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন