ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সাড়ে পাঁচ মাস চিকিৎসা–পুনর্বাসনের পর দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস মার্কিন ডলার বর্জনের ডাক ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ: মীর শাহে আলম মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে চায় ইরান ট্রাম্পের উদ্দেশে ইরানি প্রেসিডেন্টের নতুন বার্তা সরকার প্রতিটি গুমের ঘটনা তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে: প্রধানমন্ত্রী মিরাজ শেখের নিখোঁজকে ঘিরে ‘গুমের কাহিনী’ সাজানোর চেষ্টা হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুমের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত মাস্টারমাইন্ডদের বিচার করতে হবে মজলুমদের হাত দিয়ে যে আইন হচ্ছে, তা গুমের পথ সুগম করবে: এমপি আরমান আইনের বইয়ের পাশাপাশি মামলার খুঁটিনাটিও জানতে হবে: চিফ প্রসিকিউটর

আমিরের না করা ছবিতেই ভাগ্য খুলে যায় সালমানের, হন সুপারস্টার

একজন বলিউডের ভাইজান তো অপরজন মিষ্টার পারফেকশনিষ্ট। ক্যারিয়ারের শুরুটা একসঙ্গেই হয়েছিল সালমান ও আমিরের। গত তিন দশকের বেশি
  • আপলোড সময় : ২৫ জুন ২০২৫, দুপুর ৩:৪৮ সময়
  • আপডেট সময় : ২৫ জুন ২০২৫, দুপুর ৩:৪৮ সময়
আমিরের না করা ছবিতেই ভাগ্য খুলে যায় সালমানের, হন সুপারস্টার ছবি : সংগৃহীত
একজন বলিউডের ভাইজান তো অপরজন মিষ্টার পারফেকশনিষ্ট। ক্যারিয়ারের শুরুটা একসঙ্গেই হয়েছিল সালমান ও আমিরের। গত তিন দশকের বেশি সময় ধরে খানরা রাজত্ব করছেন বলিউডে। উপহার দিয়েছেন অসংখ্য হিট সিনেমা।

তবে এমন কিছু সিনেমা আছে যেগুলো ছেড়ে দিয়ে পরবর্তীতে আফসোসও করেছেন দুজন। যার মধ্যে একটি সিনেমার কথা বিশেষ করে বলতেই হয়। কারণ এই সিনেমাটির প্রস্তাব আমির খানের কাছে এলেও তিনি এটি ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে সালমান খান এতে অভিনয় করে সুপারস্টার বনে যান।

বলছিলাম ‘হাম আপকে হ্যায় কৌন’ সিনেমার কথা। আমির খান এমন একটি সিনেমা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, কিন্তু যখন সেটি যখন পরে মুক্তি পায় তখন ব্লকবাস্টার হয়। শুধু তাই নয়, এটি ছিল ভারতের প্রথম দিকের ১০০ কোটি আয় করা সিনেমা গুলোর মধ্যে একটি। সালমান খান আগেই তারকাখ্যাতি পেলেও এই সিনেমা তাকে নতুন সুপারস্টার হিসেবে পরিচিত করতে থাকে বলিউডে।

১৯৯৪ সালে মুক্তি পায় সিনেমাটি যা পরিচালনা করেছিলেন সুরাজ বরজাতিয়া এবং এটি তিনিই লিখেছেন। এতে প্রধান চরিত্রে ছিলেন সালমান খান এবং মাধুরী দীক্ষিত। তবে সালমানের আগে এর প্রস্তার আমির খানের কাছে যায়। কিন্তু স্ক্রিপ্টটি আমিরের খুব একটা পছন্দ হয়নি এবং তিনি রাজি হননি। এর পরে সালমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন পরিচালক সুরাজ।

সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার পর সালমানের ভাগ্য বদলে যায়। এটি কেবল সালমানের ক্যারিয়ারে বড় সাফল্যই দেয়নি, বরং বক্স অফিসেও প্রচুর আয় করেছিল। সেই সঙ্গে মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে সালমানের রসায়ন আলোড়ন ফেলে দেয়। শুধু তাই নয়, ‘হাম আপকে হ্যায় কৌন’ ছিল ১৯৯০ সালের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র।

স্যাকনিল্কের প্রতিবেদন অনুসারে, ‘হাম আপকে হ্যায় কৌন’ ৬ কোটি টাকা বাজেটে তৈরি হয়েছিল এবং তা ১২৮ কোটি টাকা আয় করেছিল বক্স অফিসে। এর গানগুলিও হিট হয়েছিল এবং সবচেয়ে হিট গান ছিল ‘দিদি তেরা দেবার দিওয়ানা’ যা আজও মানুষের মুখে মুখে শোনা যায়। এই সিনেমার সাফল্যের পর সুরজ বরজাতিয়া সালমানের সঙ্গে পারিবারিক ঘরানার অনেক সিনেমা করে যেগুলোর প্রত্যেকটি ছিল বক্স অফিসে সুপারহিট।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ