ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
টানা ১১ দিনের ছুটির হাতছানি, ভিসা ছাড়াই ঘুরতে পারবেন ৩৭ দেশে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে কিছু মহল: প্রধানমন্ত্রী ছয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আরাগচির ফোনালাপ নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সাবস্টেশনে আগুন প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার শিক্ষককে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী হাওর পাড়ে থেমে থেমে বৃষ্টি, দুশ্চিন্তায় কৃষক জ্বালানির উচ্চমূল্যে পিষ্ট হচ্ছেন মার্কিনিরা: ট্রাম্পের সমালোচনায় কংগ্রেস সদস্য ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের মাধ্যমে লুটপাটকারীদের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে: আখতার সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশ ও নেপালের ৩৭ আলোকচিত্রী, ইত্তেফাকের একজন ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: সব পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী

এ দেশে খুনিদের রাজত্ব আর চলবে না: প্রধানমন্ত্রী

জিয়া পরিবারকে ‘খুনি পরিবার’ আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এ দেশে খুনিদের রাজত্ব আর চলবে না। তিনি
  • আপলোড সময় : ২১ আগস্ট ২০২৩, দুপুর ৪:১৯ সময়
  • আপডেট সময় : ২১ আগস্ট ২০২৩, দুপুর ৪:১৯ সময়
এ দেশে খুনিদের রাজত্ব আর চলবে না: প্রধানমন্ত্রী ছবি: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক
জিয়া পরিবারকে ‘খুনি পরিবার’ আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এ দেশে খুনিদের রাজত্ব আর চলবে না। তিনি বলেন, জিয়া পরিবার মানে হচ্ছে খুনি পরিবার। এই বাংলাদেশে খুনিদের রাজত্ব আর চলবে না।’

সোমবার ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ১৯তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। খবর বাসসের।

রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সমানে যেখানে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা চালিয়ে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার প্রচেষ্টা চালানো হয়, সেখানেই সেই দিনের স্মরণে আওয়ামী লীগ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন বারবার হয়েছে, যার মূলহোতাই হচ্ছে জিয়াউর রহমান। আর খালেদা জিয়া তারেক রহমানসহ তাদের দোসর জামায়াতে ইসলামী এবং ৭১-এর যুদ্ধাপরাধীরা এখনো সে কাজই করে যাচ্ছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর থেকে মানবাধিকার সংরক্ষণ করেছে। মানুষ ন্যায় বিচার পায়, কেউ অপরাধ করলে তার বিচার হচ্ছে।

তিনি বলেন, এই বাংলাদেশে খুনিদের রাজত্ব আর চলবে না। আর জিয়া পরিবার মানে হচ্ছে খুনি পরিবার। যারা এখনো শরীরে গ্রেনেডের স্পিন্টার বয়ে নিয়ে বেদনাময় জীবনযাপন করছেন, তাদের তিনি বাংলাদেশের মানুষের কাছে গিয়ে জিয়া পরিবারের এই অপকর্ম তুলে ধরতে বলেন, যে কীভাবে এরা তাদের জীবনকে ধ্বংস করেছে। কীভাবে দেশে লুটপাট করেছে, কীভাবে দেশের স্বাধীনতার চেতনাকে ধ্বংস করেছে। কীভাবে এ দেশের মানুষের মুখের অন্ন কেড়ে নিয়ে তাদের ক্ষুধার্ত রেখে আর্থসামাজিক উন্নতি হতে দেয়নি। অথচ নিজেরা অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই অন্যায়-অবিচার আল্লাহ তা’আলাও সহ্য করবেন না। তারা চেষ্টা করেছে হত্যা করতে কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ বারবার ভোট দিয়ে আমাদের নির্বাচিত করেছে। ওই ছোট্ট রাসেলকে পর্যন্ত হত্যা করেছিল তারা এবং তাদের চেষ্টা ছিল বঙ্গবন্ধুর রক্তের কেউ যেন আর ক্ষমতায় আসতে না পারে। কিন্তু ‘আল্লাহর মার দুনিয়ার মার’-এটাই সত্যি কথা। আল্লাহ আমাকে বারবার রক্ষা করে সুযোগ দিয়েছেন এ দেশের মানুষের সেবা করার। তাই ওই তৃণমুল পর্যায়ের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনেও আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

সরকারপ্রধান বলেন, জিয়াউর রহমান ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারির মাধ্যমে জাতির পিতাকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ হত্যার পরও নিহতের স্বজনদের বিচার চাওয়ার কোনো অধিকার ছিল না, কোনো মামলা পর্যন্ত করা যায়নি। ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে বিচারের পথ রুদ্ধ করে দিয়েছিল। সে দিনের ভুক্তভোগী আজকের প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, তাহলে তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল?

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা দেখি মাঝে মাঝে বাংলাদেশে মানবাধিকারের কথা বলে, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন, কাদের শেখানো বুলি তারা বলেন?

জাতির পিতা হত্যাকাণ্ডের বিচার পেতে তাদের দীর্ঘ ৩৩টি বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ২১ আগস্ট প্রকাশ্য দিবালোকে গ্রেনেড হামলা করে আইভি রহমানসহ আমাদের যেসব নেতা-কর্মীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, তার বিচার ও বিচারের রায় হয়েছে। এই রায় দ্রুত কার্যকর করা উচিত।

সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ সভা সঞ্চালনা করেন।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ