ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখি করতে শৈথিল্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারি চাকরির ভাইভায় নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে ডাকসুর বিক্ষোভ ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে বোলারদের নৈপুণ্যে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ‘জাতিসংঘের স্বার্থেই কাজ করব, বাইরের কারও নির্দেশনা নেব না’: শপথে ড. খলিলুর রহমান সৌদি আরবে হুতি বিদ্রোহীদের হামলার তীব্র নিন্দা জানাল বাংলাদেশ সিঙ্গাপুরে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের সম্পদ ক্রোক হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে যুক্তরাষ্ট্রের চালকবিহীন সাবমেরিন ড্রোন আটক করল ইরান পাঠ্যবইয়ে আসছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও শেখ হাসিনা সরকারের কর্মকাণ্ড: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী লোডশেডিংয়ে আলু নিয়ে শঙ্কা শি-ট্রাম্প বৈঠকের আগেই চীনের বাণিজ্যে জোয়ার

দিল্লির অধীনতা-বশ্যতা মানেনি এবং ভবিষ্যতেও মানবে না: রিজভী

বাংলাদেশের মানুষ কখনই দিল্লির অধীনতা-বশ্যতা মানেনি এবং ভবিষ্যতেও মানবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট
  • আপলোড সময় : ৪ জুলাই ২০২৪, দুপুর ১১:১ সময়
  • আপডেট সময় : ৪ জুলাই ২০২৪, দুপুর ১১:১ সময়
দিল্লির অধীনতা-বশ্যতা মানেনি এবং ভবিষ্যতেও মানবে না: রিজভী
বাংলাদেশের মানুষ কখনই দিল্লির অধীনতা-বশ্যতা মানেনি এবং ভবিষ্যতেও মানবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, ডামি সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন যে দুর্নীতি দমন কমিশন স্বাধীন, সুতরাং যে ব্যক্তি যত শক্তিশালী হোক না কেন দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে কমিশন নিজ প্রক্রিয়া অনুযায়ী কাজ করে যাবে। আজকাল সংবাদপত্রের পাতায় দৃষ্টি দিলেই বেনজীর, মতিউর, আসাদুজ্জামান আরো কত নাম আমরা দেখতে পাচ্ছি, এই সমস্ত দুর্নীতির মহানায়করা সরকারের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে বড় বড় সরকারি পদে অধিষ্ঠিত থাকল কিভাবে? এর উত্তর কি প্রধানমন্ত্রী দিতে পারবেন? তাহলে কি কোনো ভাগ-বাটোয়ারার কারণে সমস্যা হওয়ায় তাদের সব গোপন বিষয় ফাঁস করে দেয়া হচ্ছে?

তিনি বলেন, এখন সেই দেশের সাথে বাংলাদেশের ডামি সরকারের প্রধানমন্ত্রী নানা চুক্তি ও সমাঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন। বাংলাদেশের জনগণ এহেন দুই সরকারের সমাঝোতার উদ্যোগ অসম এবং বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী বলে মনে করে। এতে বাংলাদেশের মানুষ তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। ট্রানজিট ও এশিয়ান হাইওয়ের নামে শেখ হাসিনা মূলত ভারতকে করিডোর দিচ্ছেন। চিরদিনের জন্য বাংলাদেশের মানুষকে ভারতের ক্রীতদাস বানানোর গভীর অভিসন্ধি। ১৯৯৬ সালে ভারতের একটি মাসিক প্রকাশনার রিসার্চ এনালিস্ট সংঙ্গীতা থাপলিয়ান লিখেছিলেন, ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাগ্রহণ বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের ট্রানজিট পাওয়ার একটি সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই রেলওয়ে করিডোর স্থাপনের চুক্তি তারাই প্রতিফলন। বাংলাদেশের মানুষ কখনই দিল্লির অধীনতা-বশ্যতা মানেনি এবং ভবিষ্যতেও মানবে না, যেমন পিন্ডির বশ্যতা মানেনি।
তিনি বলেন, অসংখ্য আত্মহুতি দিয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা, তাই এই স্বাধীনতাকে দুর্বল করা যাবে না। বিএনপি শাসন আমলে কোনো ট্রানজিট আদায় করা ভারতের পক্ষে সম্ভব হয়নি। ভারতের নীতি নির্ধারকরা বাংলাদেশ এবং এর জনগণকে তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে দেখে। অভিন্ন নদীর পানি, সীমান্ত হত্যা, বাণিজ্যিক ভারসাম্যসহ নানা সমস্যা সমাধানে আগ্রহী নয় তারা। ভারতের সাথে অমীমাংসিত বিষয়গুলোকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের বুকচিরে রেললাইন স্থাপন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জনগণের স্বাধীনতাকে অবজ্ঞা করার সামিল।

রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা বলেছেন ‘ইউরোপে তো কোনো বর্ডার নেই, তারা কি বিক্রি হয়ে গেছে?’ ইউরোপিয় ইউনিয়নের দেশগুলো তো কাছাকাছি অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং একই বর্ণের দেশ। কিন্তু তুরস্ককে নেয়া হয়নি কেন? ইউরোপের শেনজেনের অন্তর্ভূক্ত দেশ যাদের অভিন্ন মুদ্রা, ভিসা ছাড়াই গমনাগমন, বিচার ব্যবস্থাসহ এবং চাকরি-বাকরির ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। কিন্তু বেশকিছু পূর্ব ইউরোপের দেশ এর অন্তর্ভূক্ত নয়। বিভিন্ন ইনডেক্সগুলো একই রকম নয়। তাই জনগণের প্রতিবাদ সত্ত্বেও ভারতকে রেল করিডোর সুবিধা প্রদানের চুক্তি বাংলাদেশের ভূখণ্ড দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে অস্ত্রশস্ত্র, সৈন্য প্রেরণ করতে সক্ষম হবে। এর ফলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে পতিত হবে। বাংলাদেশের জনগণ জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই চুক্তি তারা কোনোদিনই মেনে নিবে না।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
এলএনজি টার্মিনাল-২ চুক্তি পুনর্বহালের দাবি সামিটের

এলএনজি টার্মিনাল-২ চুক্তি পুনর্বহালের দাবি সামিটের