ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
যে নিজের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম করে, সেই বড় গুপ্ত: জামায়াত আমির হুংকার দেবেন না, বিএনপি রাজপথ থেকে উঠে আসা দল: পানিসম্পদমন্ত্রী আপনার ভালো কাজগুলো কিছু লোকের খারাপ কথায়-কাজে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে বিদ্যুৎ নিয়ে প্ল্যান চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী, দিয়েছি, এখন কিছু বলেন না: জামায়াত আমির ছয় মাসের লুটপাটে বিএনপি সরকার চোরাবালিতে পড়েছে : সারজিস এক অন্যরকম আত্মিক বন্ধন, অকৃত্রিম ভালোবাসা কোনো স্বৈরাচার এ দেশে আর ফেরত আসতে পারবে না: নাহিদ ইসলাম ২১ মামলায় হাইকোর্টে জামিন চাইলেন সাবেক পাটমন্ত্রী শারীরিক অবস্থার উন্নতি, বাসায় ফিরলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী গ্যাস ও বিদ্যুতের জন্য লংমার্চ করে কোনো লাভ নেই: ডিএসসিসির প্রশাসক

শারীরিক অবস্থার উন্নতি, বাসায় ফিরলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী

ফুসফুসের সংক্রমণ, ঠান্ডা-কাশি ও শ্বাসকষ্টের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
  • আপলোড সময় : ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৪৮ সময়
  • আপডেট সময় : ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৪৮ সময়
শারীরিক অবস্থার উন্নতি, বাসায় ফিরলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী

ফুসফুসের সংক্রমণ, ঠান্ডা-কাশি ও শ্বাসকষ্টের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন। বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত সহকারী।  শনিবার রাতে মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুল্লাহ আল কায়েস বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রাত ৯টার পর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাসায় ফেরেন মন্ত্রী।


এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। সেখানে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার ফুসফুসের সংক্রমণ, ঠান্ডা-কাশি ও শ্বাসকষ্টের চিকিৎসা দেওয়া হয়। কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।


মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি আশঙ্কামুক্ত। বাসায় থেকেই পরবর্তী চিকিৎসা ও বিশ্রাম নেবেন তিনি। 

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?

রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?