ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
‘কোনো কিছুই অসম্ভব নয়’—আর্জেন্টিনার ম্যাচের আগে কেপ ভার্দে কোচ সংসদকে পাশ কাটিয়ে নয়, সমতার ভিত্তিতে হোক সব চুক্তি: ডা. শফিকুর রহমান নিজের ছবিযুক্ত নতুন পাসপোর্ট উন্মোচন করলেন ট্রাম্প সমীকরণ মিললে ফাইনালের আগেই মুখোমুখি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার জরুরি সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক ভারতের মেডিকেল কলেজে ক্লাস নিচ্ছেন আওয়ামী লীগের পলাতক সাবেক এমপি মরদেহ স্থানান্তরে বাধা নেই, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের পাশে আহমদ ছফার নতুন কবর দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রী দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের ক্রিকেটে আর্থিক সহায়তা বন্ধ করতে আইসিসিকে বুলবুলের চিঠি

‘ইরানি যুদ্ধবিমানকে পার্কিংয়ের অনুমতি দিয়েছিল পাকিস্তান’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলা থেকে সামরিক সম্পদ রক্ষায় ইরান তাদের কিছু সামরিক বিমান পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে সরিয়ে
  • আপলোড সময় : ১৩ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪৬ সময়
  • আপডেট সময় : ১৩ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪৬ সময়
‘ইরানি যুদ্ধবিমানকে পার্কিংয়ের অনুমতি দিয়েছিল পাকিস্তান’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলা থেকে সামরিক সম্পদ রক্ষায় ইরান তাদের কিছু সামরিক বিমান পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে সরিয়ে নেয়—এমন চাঞ্চল্যকর দাবি সামনে এসেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে। তবে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অবস্থান পরস্পরবিরোধী।  প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমানঘাঁটিতে ইরানের কয়েকটি সামরিক ও নজরদারি বিমান রাখা হয়। এর মধ্যে আরসি-১৩০ নজরদারি বিমান এবং সি-১৩০ পরিবহন বিমান থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। দাবি অনুযায়ী, এসব বিমান সম্ভাব্য হামলা থেকে রক্ষার জন্য সেখানে নেওয়া হয়।


একই সময়ে আফগানিস্তানের কাবুল বিমানবন্দরেও ইরানের একটি বেসামরিক বিমান সাময়িকভাবে অবস্থান করেছিল বলে জানানো হয়েছে। আফগান বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষের এক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির আগেই ওই বিমানটি অবতরণ করেছিল। তবে পাকিস্তান এই দাবি সরাসরি অস্বীকার করেছে। দেশটির এক কর্মকর্তা জানান, নূর খান ঘাঁটি জনবহুল এলাকায় হওয়ায় সেখানে গোপনে সামরিক বিমান পার্কিংয়ের বিষয়টি বাস্তবসম্মত নয়। তার মতে, এমন ঘটনা ঘটলে তা সহজেই প্রকাশ পেয়ে যেত।


অন্যদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বলা হয়, এপ্রিলের শুরুতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর আলোচনা চলার সময় এসব বিমান সরানোর ঘটনা ঘটে। এ সময় ইরান তাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সম্পদ নিরাপদ রাখতে প্রতিবেশী দেশগুলো ব্যবহার করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কিছু মার্কিন আইনপ্রণেতা পাকিস্তানের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে পাকিস্তান এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছে।


আফগানিস্তানের পক্ষ থেকেও নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ইরানের একটি বেসামরিক বিমান কাবুলে সাময়িকভাবে অবস্থান করেছিল, তবে সামরিক বিমান ছিল কি না সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় পতন

বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় পতন