রাজপথের আন্দোলনের পরিবর্তে সংসদে আলোচনার মাধ্যমে মতবিরোধ নিরসনের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি সরকারের সঙ্গে একীভূত হয়ে গেছে—এমন ধারণাও নাকচ করেছেন তিনি। একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিরোধীদলকে মোকাবিলায় বিএনপি কোনো পাল্টা কর্মসূচি দেবে না। বরং সরকারের কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে তুলে ধরতে সভা-সেমিনার ও জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম বাড়ানো হবে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নকে ঘিরে সরকার ও বিরোধীদলের মতভেদ বর্তমানে সংসদের বাইরেও উত্তাপ ছড়াচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব নাকচ করেছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট, যারা গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে মির্জা ফখরুল বলেন, “রাজনৈতিক সংস্কৃতি মানেই শুধু রাস্তায় আন্দোলন—এই ধারা থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন।” তিনি মনে করেন, সংসদে আলোচনা, বিতর্ক, এমনকি ওয়াকআউটের মধ্য দিয়েই গণতান্ত্রিক চর্চা আরও শক্তিশালী হতে পারে।
তিনি বিরোধীদলকে উদ্দেশ করে বলেন, সংসদে বসে আলোচনা করলে তা বেশি ফলপ্রসূ হবে এবং একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে। তার মতে, অযথা রাজপথে চাপ সৃষ্টি না করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করা জরুরি। বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, দলকে আরও শক্তিশালী ও সক্রিয় করতে কাজ চলছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে দলীয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। দলের ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, মন্ত্রিসভার বাইরে থাকা নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনার বিষয়টি সময়ের ওপর নির্ভর করছে।
সূত্র: সময় সংবাদ
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন