ঢাকা | |

চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে রপ্তানি আয় কমেছে ৩.১৫ শতাংশ

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে পতন লক্ষ্য করা গেছে। জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে
  • আপলোড সময় : ৩ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:৫৪ সময়
  • আপডেট সময় : ৩ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:৫৪ সময়
চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে রপ্তানি আয় কমেছে ৩.১৫ শতাংশ

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে পতন লক্ষ্য করা গেছে। জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে মোট রপ্তানি আয় আগের বছরের তুলনায় ৩.১৫ শতাংশ কমেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়, এ সময়ে দেশের মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩১.৯১ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় কম।


বিশেষ করে ফেব্রুয়ারি মাসে রপ্তানি পরিস্থিতি আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। এ মাসে আয় নেমে আসে ৩.৫০ বিলিয়ন ডলারে, যা জানুয়ারির তুলনায় প্রায় ২০.৮১ শতাংশ কম এবং গত বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় ১২.০৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এই পতনের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে তৈরি পোশাক খাতের দুর্বল পারফরম্যান্সকে দায়ী করা হচ্ছে। দেশের মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি আসে এই খাত থেকে, যেখানে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে আয় কমেছে ৩.৭৩ শতাংশ, দাঁড়িয়েছে ২৫.৮০ বিলিয়ন ডলারে।


তবে সব খাতে নেতিবাচক চিত্র দেখা যায়নি। হোম টেক্সটাইল ও চামড়া খাতে কিছুটা প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। হোম টেক্সটাইল রপ্তানি বেড়ে ৫৯ কোটি ৩৪ লাখ ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ২.৬৭ শতাংশ বেশি। একই সময়ে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ৪.৪১ শতাংশ, যার পরিমাণ প্রায় ৭৯ কোটি ডলার।


অন্যদিকে কৃষি পণ্যের রপ্তানিতে বড় ধরনের পতন হয়েছে। এ খাতে আয় কমে ১০.০১ শতাংশ নেমে এসেছে ৬৬ কোটি ৮১ লাখ ডলারে। সব মিলিয়ে, বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতা এবং প্রধান রপ্তানি খাতের ধীরগতির কারণে দেশের রপ্তানি খাতে চাপ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
২৩ জুন উপলক্ষে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

২৩ জুন উপলক্ষে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর