ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে জ্বালানি-খাদ্যের দাম: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট কাতারের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবার বিচারকের ওপর কালো জাদু করতে গিয়ে ভারতীয় গ্রেপ্তার শেখ হাসিনার জন্য আমরা ইনসাফ নিশ্চিত করতে চাই: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ফেনী‌তে সাংবাদিকের ওপর অবৈধ বালু উত্তোলনকারী‌দের হামলা, প্র‌তিবাদে মানববন্ধন পদার্থবিজ্ঞানের ২ প্রশ্নে আপত্তি, ভুল প্রমাণ হলে পূর্ণ নম্বরের আশ্বাস কোম্পানির মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা দিতে পারবে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, বিল পাস সংবিধানে গণভোটের বিধান না থাকলে ২০২৬ সালে নির্বাচনও নেই: শফিকুর রহমান সংবিধান নতুন করে লেখার সুযোগ নেই: চিফ হুইপ বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার ২ মাসের মাথায় ডাচ রেফারির আকস্মিক মৃত্যু

ছয় বছর ধরে বন্ধ পাবনা সুগার মিল

ছয় বছর ধরে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে পাবনা সুগার মিল। দেশের অন্যতম বৃহৎ এই চিনিকল দীর্ঘদিন অচল থাকায় প্রায়
  • আপলোড সময় : ২৩ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:২৯ সময়
  • আপডেট সময় : ২৩ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:২৯ সময়
ছয় বছর ধরে বন্ধ পাবনা সুগার মিল

ছয় বছর ধরে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে পাবনা সুগার মিল। দেশের অন্যতম বৃহৎ এই চিনিকল দীর্ঘদিন অচল থাকায় প্রায় ৮০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ও মালামাল নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। পাশাপাশি বেতন-ভাতা ও ঋণের সুদ মিলিয়ে বাড়ছে আর্থিক চাপ, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন স্থানীয় আখচাষিরা। মিল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এখানে ২২ জন স্থায়ী ও ৩০ জন অস্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত আছেন। তাদের বেতন-ভাতা বাবদ প্রতি মাসে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে। ২০২০ সালে উৎপাদন বন্ধের পর শুধু বেতন-ভাতাতেই সরকারের ব্যয় হয়েছে ৮ কোটি টাকার বেশি।


জানা যায়, পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া এলাকায় ১৯৯২ সালে ৬০ একর জমির ওপর প্রায় ১২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে মিলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৯ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হলেও ধারাবাহিক লোকসান ও ঋণের চাপ বাড়তে থাকায় ২০২০ সালের ১ ডিসেম্বর উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। মিলের ঋণের পরিমাণ বর্তমানে সুদসহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৫৩ কোটি ৬০ লাখ টাকায়। প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা সুদ যোগ হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।


২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর উৎপাদন বন্ধের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে দ্বিতীয় ধাপে মিল চালুর ঘোষণা দেওয়া হলেও এখনো কার্যকর কোনো অগ্রগতি হয়নি। একই সঙ্গে শিল্প মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পুনরায় চালুর পরিকল্পনার কথা বলা হলেও মিল কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পায়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, মিল বন্ধ থাকায় এলাকায় অর্থনৈতিক স্থবিরতা নেমে এসেছে। কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, আর আখচাষিরাও বড় ক্ষতির মুখে পড়ছেন।


আখচাষি কল্যাণ সমিতির সভাপতি শাহজাহান আলী বাদশা বলেন, মিলটির উৎপাদন সক্ষমতা ভালো ছিল। দ্রুত চালু করা না হলে কৃষক ও স্থানীয় অর্থনীতি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন, মিল পুনরায় চালু করতে আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ জনবল এবং বহুমুখী উৎপাদন (চিনি, স্পিরিট, জৈবসার ও বিদ্যুৎ) চালুর প্রয়োজন রয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
শেখ হাসিনার পরিবারের কেউ বাংলাদেশি হয়ে উঠতে পারেনি: সারজিস আলম

শেখ হাসিনার পরিবারের কেউ বাংলাদেশি হয়ে উঠতে পারেনি: সারজিস আলম