ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে মোদির সঙ্গে ত্রিবেদীর ‘খুব ভালো’ ও ‘দীর্ঘ’ বৈঠক শিশির মনিরকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার চাইলেন রাশেদ খাঁন জঙ্গল সলিমপুরের পাশে পুলিশ একাডেমি ও কারাগার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিউমুরিং টার্মিনাল ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ রাজধানীতে, পুলিশের লাঠিপেটা পাকিস্তানি সেনারা সৌদি আরবে অবস্থান করছেন: পাকিস্তান সেনাবাহিনী গাঢ় নীল পোশাকে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন জয়া আহসান রোলারের চাপায় ৩ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি ভারতের সঙ্গে শত্রুতা আমাদের প্রত্যাশা নয়, প্রশ্ন হচ্ছে ‘স্বার্থ সুরক্ষা’: নাহিদ ইসলাম শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া জানালো ভারত পর্দার ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’ এবার বাস্তবেও মন্ত্রীর মর্যাদায়

চট্টগ্রাম উপকূলে ৫ দিন নৌযান চলাচলে সতর্কতা

চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকায় কয়েক দিনের জন্য বদলে যাচ্ছে নৌযান চলাচলের স্বাভাবিক চিত্র। নির্দিষ্ট এলাকায় বিমানবিধ্বংসী ফায়ারিং অনুশীলন করবে
  • আপলোড সময় : ৭ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ৩:৩৬ সময়
  • আপডেট সময় : ৭ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ৩:৩৬ সময়
চট্টগ্রাম উপকূলে ৫ দিন নৌযান চলাচলে সতর্কতা

চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকায় কয়েক দিনের জন্য বদলে যাচ্ছে নৌযান চলাচলের স্বাভাবিক চিত্র। নির্দিষ্ট এলাকায় বিমানবিধ্বংসী ফায়ারিং অনুশীলন করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আর এ কারণে বিপজ্জনক এলাকা এড়িয়ে চলতে নৌযানগুলোকে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ। সোমবার ৫ অক্টোবর নৌ-পথ শাখা থেকে প্রকাশিত নৌ-সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্কুল অব আর্মি এয়ার ডিফেন্সের পরিচালনায় প্রশিক্ষণার্থীরা আগামী ১৯ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত ফৌজদারহাট এয়ার ডিফেন্স ফায়ারিং রেঞ্জে বিমানবিধ্বংসী ফায়ারিং অনুশীলন করবেন। প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়ে এই অনুশীলন চলবে রাত ১১টা পর্যন্ত। ফায়ারিংয়ের জন্য নির্ধারিত বিপজ্জনক এলাকার মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, পাহাড়তলী, আকবর শাহ ও হালিশহর থানা এলাকার উপকূলীয় অংশ। সমুদ্রের আকাশ বরাবর এই বিপজ্জনক এলাকার উত্তর ও দক্ষিণ সীমানার বিস্তৃতি প্রায় ১২ হাজার গজ, অর্থাৎ প্রায় ৬ দশমিক ৮ মাইল। আর এলাকাটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২২ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে।


ফলে ফায়ারিং চলাকালে ওই নৌপথে চলাচলকারী সব ধরনের নৌযানকে নির্ধারিত ফায়ারিং রেঞ্জ এবং এর আশপাশের বিপজ্জনক এলাকা এড়িয়ে চলার অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে পাইলটের সহায়তা নিয়ে আরও সতর্কতার সঙ্গে নৌযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত ড্রাফট অনুযায়ী নৌযান পরিচালনা এবং দক্ষ নাবিক বা চালকের মাধ্যমে নৌযান চালানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।


শুধু ফায়ারিংয়ের সময় নয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার আশঙ্কা থাকলেও নৌযানগুলোকে নিরাপদ স্থানে ভিড়িয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নৌযানে প্রয়োজনীয় বাতি জ্বালানো, কুয়াশায় সতর্কতামূলক সংকেত দেওয়া এবং ঘণ্টা বাজানোর মতো নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। অর্থাৎ ১৯ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট ও হালিশহর উপকূলীয় এলাকায় নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। নির্ধারিত বিপজ্জনক এলাকায় প্রবেশ করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেই এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ