ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী: শামা ওবায়েদ ‘খেলা এখনো শেষ হয়নি, আমাদেরও সময় আসবে’ প্রথমবারের মতো এক মন্ত্রণালয় সামলাতে ৩ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নিশ্চয়ই কোনও প্ল্যান আছে: বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী মন্ত্রী জাতীয় অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৫০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য ইমরান খানকে শিফা হাসপাতালে না নেওয়ায়, সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা পিটিআইয়ের ‘বোরকা আইন’: পর্তুগালে জনসমক্ষে বোরকা ও মুখঢাকা পোশাকে নিষেধাজ্ঞা এলজিআরডি মন্ত্রী হলেন ড. আবদুল মঈন খান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সাচিং প্রু জেরী তথ্যমন্ত্রী হলেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ

‘বোরকা আইন’: পর্তুগালে জনসমক্ষে বোরকা ও মুখঢাকা পোশাকে নিষেধাজ্ঞা

পর্তুগালে জনসমক্ষে মুখঢাকা পোশাকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও জোসে সেগুরো নতুন আইনে অনুমোদন দেওয়ার পর এই
  • আপলোড সময় : ২২ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৫:৫৭ সময়
  • আপডেট সময় : ২২ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৫:৫৭ সময়
‘বোরকা আইন’: পর্তুগালে জনসমক্ষে বোরকা ও মুখঢাকা পোশাকে নিষেধাজ্ঞা

পর্তুগালে জনসমক্ষে মুখঢাকা পোশাকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও জোসে সেগুরো নতুন আইনে অনুমোদন দেওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়। আইন অনুযায়ী, জনসমক্ষে এমন পোশাক পরা যাবে না, যা পুরো মুখ ঢেকে ফেলে কিংবা ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তে বাধা সৃষ্টি করে। আইন অমান্য করলে ১৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।


নতুন আইনটি স্থানীয়ভাবে ‘বোরকা আইন’ নামে পরিচিত। তবে স্বাস্থ্যগত সমস্যা, পেশাগত প্রয়োজন, শিল্প ও বিনোদন, আবহাওয়া কিংবা নিরাপত্তাজনিত কারণে মুখ ঢাকার ক্ষেত্রে ছাড় রাখা হয়েছে। উপাসনালয়, কূটনৈতিক মিশন ও উড়োজাহাজেও এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। আইনে আরও বলা হয়েছে, লিঙ্গ, ধর্ম, বয়স কিংবা বংশগত পরিচয়ের কারণে কাউকে মুখ ঢাকতে বাধ্য করা যাবে না। প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও জোসে সেগুরোর ভাষ্য, মানুষের পরিচয় ও পারস্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে মুখ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাঁর মতে, মুখ খোলা রাখা পর্তুগিজ সমাজে পারস্পরিক আস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।


তবে আইনটি নিয়ে দেশটিতে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ডানপন্থী চেগা পার্টির উত্থাপিত প্রস্তাবটি গত জুলাইয়ে পার্লামেন্টে অনুমোদিত হয়। ক্ষমতাসীন ডানপন্থী জোট ও কট্টর ডানপন্থীরা এর পক্ষে অবস্থান নিলেও সমাজতান্ত্রিক দল, লিভ্রে ও কমিউনিস্ট পার্টিসহ বামপন্থী দলগুলো এর বিরোধিতা করেছে। আইনজীবীদের কয়েকটি সংগঠনও প্রস্তাবটির সমালোচনা করেছে। কেউ কেউ এর সাংবিধানিক বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। বিরোধীদের আশঙ্কা, এই আইন মুসলিম নারীদের বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে পারে এবং সমাজে ইসলামবিদ্বেষ ও বৈষম্য বাড়িয়ে দিতে পারে।


সমাজতান্ত্রিক দলের অভিযোগ, প্রস্তাবটির ব্যাখ্যায় ইসলামবিদ্বেষের আশঙ্কা রয়েছে। কমিউনিস্ট পার্টির দাবি, নারীর অধিকার বা নিরাপত্তার সঙ্গে এই আইনের সরাসরি সম্পর্ক নেই; বরং এটি ভিন্ন ধর্ম ও পরিচয়ের মানুষের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ বাড়াতে পারে। পর্তুগালের এই নিষেধাজ্ঞা ইউরোপে জনসমক্ষে মুখঢাকা পোশাক নিয়ন্ত্রণের ধারাবাহিকতার অংশ। এর আগে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, অস্ট্রিয়া, লুক্সেমবার্গ, ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডসেও জনসমক্ষে মুখঢাকা পোশাকের ওপর বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ইরান ‘মার্কিন স্থল অভিযান’-এর জন্য প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছে, কৌশলে বড় পরিবর্তনের আভাস

ইরান ‘মার্কিন স্থল অভিযান’-এর জন্য প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছে, কৌশলে বড় পরিবর্তনের আভাস