ঢাকা | |

ইউরোপে দ্বিগুণ জেট ফুয়েল সরবরাহ করছে সৌদি আরব

লোহিত সাগরের বিকল্প রুট ব্যবহার করে চলতি মাসে ইউরোপের বাজারে আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে উড়োজাহাজের জ্বালানি বা জেট
  • আপলোড সময় : ১০ জুন ২০২৬, দুপুর ৩:১৫ সময়
  • আপডেট সময় : ১০ জুন ২০২৬, দুপুর ৩:১৫ সময়
ইউরোপে দ্বিগুণ জেট ফুয়েল সরবরাহ করছে সৌদি আরব

লোহিত সাগরের বিকল্প রুট ব্যবহার করে চলতি মাসে ইউরোপের বাজারে আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে উড়োজাহাজের জ্বালানি বা জেট ফুয়েল রপ্তানি করছে সৌদি আরব। হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকায় এই বিকল্প রুটকে কেন্দ্র করেই জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক শিপিং ট্র্যাকার কেপলার এবং ভরটেক্সার সর্বশেষ পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর হয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্যের বাজারে জেট ফুয়েল রপ্তানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।


তথ্য অনুযায়ী, চলতি জুনের প্রথম সপ্তাহে ইয়ানবু বন্দর থেকে ইউরোপে দৈনিক গড়ে প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার ব্যারেল জেট ফুয়েল সরবরাহ করা হয়েছে, যা ২০২৫ সালের আগস্টের পর সর্বোচ্চ। অন্যদিকে ভরটেক্সার হিসাবে এই পরিমাণ দৈনিক প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার ব্যারেল পর্যন্ত পৌঁছেছে। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে এই রুটে রপ্তানির পরিমাণ ছিল দৈনিক গড়ে ৭৭ হাজার ব্যারেল। তবে সাম্প্রতিক এই ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো কোনো মন্তব্য করেনি।


বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে চলমান অস্থিরতার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি রপ্তানি রুটে বড় পরিবর্তন এসেছে। একসময় এই প্রণালি দিয়ে দৈনিক প্রায় ৩ লাখ ব্যারেল জেট ফুয়েল ইউরোপে যেত। বর্তমানে সৌদি আরব লোহিত সাগরভিত্তিক ইয়ানবু বন্দরকে বিকল্প রুট হিসেবে ব্যবহার করে সরবরাহ সচল রেখেছে। একই সঙ্গে ইউরোপ আমেরিকা ও নাইজেরিয়া থেকেও জেট ফুয়েল আমদানি বাড়িয়েছে।


বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে ইউরোপের সম্ভাব্য জ্বালানি ঘাটতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা সতর্ক করে বলেছে, সংকট দীর্ঘ হলে ইউরোপের বিমান জ্বালানির বাজারে চাপ বাড়তে পারে।


সূত্র: রয়টার্স

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স