ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, চলমান সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ নির্বাচনের পরেই শেষ হবে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ: ট্রাম্প অপ্রাপ্তবয়স্কদের সোশ্যাল-মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ইইউতে মতবিরোধ সংসদে রুমিন ফারহানাকে অশালীন ভাষায় গালাগালের অভিযোগ রাশিয়ার সীমান্তে ফিনল্যান্ডের ২০০ কিলোমিটারের নিরাপত্তা বেড়া নির্মাণ ধাপে ধাপে ঠকছেন মালদ্বীপের এক লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি: হাসনাত আবদুল্লাহ দিস ইজ অ্যাবসার্ড—চিফ হুইপকে ডেপুটি স্পিকার ভিসা নিয়ে বড় সুখবর, এক পারমিটেই ঘোরা যাবে মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশ শনিবার থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ছে বেকারি পণ্যের দাম অতিরিক্ত টাকা আদায়, মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার; কক্সবাজারে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

লোডশেডিংয়ে চা-বাগানে উৎপাদন বিপর্যয়

বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে নতুন সংকটে পড়েছে দেশের চা শিল্প। বিদ্যুৎ না থাকায় বাগান থেকে উত্তোলিত কাঁচা চা-পাতার অর্ধেকের বেশি
  • আপলোড সময় : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯:৫৪ সময়
  • আপডেট সময় : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯:৫৪ সময়
লোডশেডিংয়ে চা-বাগানে উৎপাদন বিপর্যয়

বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে নতুন সংকটে পড়েছে দেশের চা শিল্প। বিদ্যুৎ না থাকায় বাগান থেকে উত্তোলিত কাঁচা চা-পাতার অর্ধেকের বেশি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বা গুণগত মান হারাচ্ছে। ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোর তুলনায় এ বছর চা-পাতার ফলন ভালো হলেও বাজারজাতযোগ্য চায়ের পরিমাণ কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চা-শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, লোডশেডিংয়ের সময় ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহার করে উৎপাদন চালু রাখা হলেও এতে খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের চা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে এবং রপ্তানিও কমে যেতে পারে।


বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ১৭২টি চা-বাগান রয়েছে এবং ২০২৫ সালে উৎপাদন হয়েছে ৯ কোটি ৪৯ লাখ কেজি চা, যা আগের বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি হলেও লক্ষ্যমাত্রার নিচে রয়েছে। মৌলভীবাজার ও পঞ্চগড়সহ বিভিন্ন বাগানের কর্মকর্তারা জানান, চা পাতা অত্যন্ত পচনশীল হওয়ায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রক্রিয়াজাত না করতে পারলে তা নষ্ট হয়ে যায়। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে উইদারিং, রোলিং ও ড্রাইংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ব্যাহত হচ্ছে। এতে শুধু উৎপাদনই নয়, চায়ের গুণগত মানও কমে যাচ্ছে।


চণ্ডিছড়া চা-বাগানের এক কর্মকর্তা জানান, বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে উৎপাদন কমে যাচ্ছে এবং জেনারেটর চালাতে অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হচ্ছে। ফলে একদিকে পাতা নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে ব্যয় বেড়ে লাভ কমছে। শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকলে চা শিল্পের উৎপাদন অর্ধেকে নেমে আসতে পারে এবং রপ্তানিতেও বড় ধস নামতে পারে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
এলএনজি টার্মিনাল-২ চুক্তি পুনর্বহালের দাবি সামিটের

এলএনজি টার্মিনাল-২ চুক্তি পুনর্বহালের দাবি সামিটের