মুক্তির পরপরই বিশ্বজুড়ে দারুণ সাড়া ফেলেছে সায়েন্স ফিকশন সিনেমা ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’। ছবিটি ওপেনিং উইকেন্ডেই ১৪০.৯ মিলিয়ন ডলার আয় করে ২০২৬ সালের সবচেয়ে বড় ওপেনিং রেকর্ড গড়েছে বলে জানা গেছে। দৈনিক ইত্তেফাকের তথ্য অনুযায়ী, সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন রায়ান গসলিং। তিনি এখানে একজন সাধারণ বিজ্ঞান শিক্ষক থেকে মানবজাতিকে রক্ষার দায়িত্ব নেওয়া মহাকাশ অভিযাত্রীতে পরিণত হন। ছবির গল্প নির্মিত হয়েছে অ্যান্ডি উইয়ারের জনপ্রিয় উপন্যাস অবলম্বনে। এর আগে তাঁর আরেকটি উপন্যাস ‘দ্য মার্শিয়ান’ চলচ্চিত্রায়িত হয়ে বিশ্বব্যাপী সাফল্য পেয়েছিল।
সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ফিল লর্ড ও ক্রিস্টোফার মিলার। তাদের পরিচালনায় ছবিটি ভিজ্যুয়ালভাবে সমৃদ্ধ ও আবেগঘন মহাকাশ অভিযানের অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে বলে সমালোচকদের মত। অ্যামাজন এমজিএম স্টুডিওজের জন্যও এটি বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ৮.৪৫ বিলিয়ন ডলারে এমজিএম অধিগ্রহণের পর এটি স্টুডিওটির অন্যতম সফল বাণিজ্যিক সিনেমা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া মিশ্র। কেউ একে চিন্তাশীল ও উপভোগ্য সায়েন্স ফিকশন বলছেন, আবার কেউ গল্পে কিছুটা পরিচিত ছক এবং ‘ইন্টারস্টেলার’-এর প্রভাবের কথা উল্লেখ করছেন। তবে প্রায় সবাই একমত যে রায়ান গসলিংয়ের অভিনয়ই ছবির প্রধান শক্তি।
রায়ান গসলিং জানিয়েছেন, বিজ্ঞানভিত্তিক গল্পে হালকা হাস্যরসের মিশ্রণই তাকে এই প্রজেক্টে আকৃষ্ট করেছে। তার মতে, কঠিন বৈজ্ঞানিক ধারণা দর্শকের কাছে সহজভাবে পৌঁছে দিতে এই ভারসাম্য গুরুত্বপূর্ণ। ‘ওপেনহাইমার’ ও ‘এফ১’-এর মতো বড় সিনেমার পাশে জায়গা করে নিয়ে ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ করোনা-পরবর্তী সময়ে মৌলিক গল্পনির্ভর চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে উঠে এসেছে।
সূত্র: আন্তর্জাতিক বক্স অফিস রিপোর্ট, অ্যামাজন এমজিএম স্টুডিওজ।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন