ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন: নিহত ৬ পর্যটকের পরিচয় শনাক্ত সব হাসপাতালের লাইব্রেরিতে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা ৩ বই রাখার নির্দেশ কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ অ’গ্নিকাণ্ডের পর লাপাত্তা রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হুমায়ুন কবিরের বৈঠক দেশের সব ব্যাংকের কার্যক্রম চালু থাকবে আজ মিষ্টির শূন্য আসনে এমপি হতে চান সাবেক সংসদ সদস্যসহ বিএনপির ৭০ নেত্রী মুক্তি পেয়েছেন নেহা বোরা, আদালতে হাজির করা হবে অভিজিৎ দীপকেকে ১৯ পদে ৭৫৩ জনকে নিয়োগ দেবে পেট্রোবাংলা, ঘরে বসে আবেদন করবেন যেভাবে সাবিলা নূরের ৭ বছরের সংসার ভাঙনের গুঞ্জন ভারত ছাড়ার নির্দেশে পেছাতে পারে ইমরান খানের কামব্যাক সিনেমা

১০২ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যার প্রতিবেদন

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে ১০২
  • আপলোড সময় : ১৫ অক্টোবর ২০২৩, দুপুর ১২:৮ সময়
  • আপডেট সময় : ১৫ অক্টোবর ২০২৩, দুপুর ১২:৮ সময়
১০২ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যার প্রতিবেদন ছবি : সংগৃহীত
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে  ১০২ বারের মতো পেছাল মামলার তদন্ত প্রতিবেদন। আগামী ১৬ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার (১৫ অক্টোবর) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত সংস্থা র‌্যাব প্রতিবেদন দাখিল করেনি। এজন্য ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এ তারিখ ঠিক করেন।

আলোচিত এ হত্যা মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আটজন। অন্য আসামিরা হলেন বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। আসামিদের প্রত্যেককে একাধিকবার রিমান্ডে নেওয়া হলেও তাদের কেউই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এ টি এন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তারা বলেছিলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই খুনিদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনা হবে। এরপর শত শত ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়েছে। কূল-কিনারা হয়নি আলোচিত এই মামলার।

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ভারতে এখন আন্দোলন করতেও গুনতে হবে মোটা অঙ্কের টাকা

ভারতে এখন আন্দোলন করতেও গুনতে হবে মোটা অঙ্কের টাকা