ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
রাজমিস্ত্রী থেকে বিশ্বকাপ দলে ইগর থিয়াগো রামিসা হত্যা: আদালতে নেওয়া হয়েছে দুই আসামিকে অফ-ফর্মে থাকা বুমরাহকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন জয়াবর্ধন ৭ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন , ছুটি বাতিল হতে পারে বিশেষ আদালতের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাত্রদল নেতার সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতার মেয়ের বিয়েতে অতিথি জামায়াতের এমপি আগামীকাল থেকে চলবে ১০টি স্পেশাল ট্রেন: রেলমন্ত্রী ঈদযাত্রায় উত্তরবঙ্গবাসীদের জন্য বিশাল সুখবর পাকিস্তানের সেনাপ্রধানকে কড়া বার্তা ইরানের স্পিকার বাঘের ঘালিবাফের ‘হজে ঝগড়া-বিবাদ নয়, ইবাদতেই মন দিন’- মসজিদে নববীর ইমামের হৃদয়ছোঁয়া আহ্বান শ্রীমঙ্গলে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

১০২ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যার প্রতিবেদন

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে ১০২
  • আপলোড সময় : ১৫ অক্টোবর ২০২৩, দুপুর ১২:৮ সময়
  • আপডেট সময় : ১৫ অক্টোবর ২০২৩, দুপুর ১২:৮ সময়
১০২ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যার প্রতিবেদন ছবি : সংগৃহীত
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে  ১০২ বারের মতো পেছাল মামলার তদন্ত প্রতিবেদন। আগামী ১৬ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার (১৫ অক্টোবর) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত সংস্থা র‌্যাব প্রতিবেদন দাখিল করেনি। এজন্য ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এ তারিখ ঠিক করেন।

আলোচিত এ হত্যা মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আটজন। অন্য আসামিরা হলেন বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। আসামিদের প্রত্যেককে একাধিকবার রিমান্ডে নেওয়া হলেও তাদের কেউই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এ টি এন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তারা বলেছিলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই খুনিদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনা হবে। এরপর শত শত ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়েছে। কূল-কিনারা হয়নি আলোচিত এই মামলার।

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ