ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
টানা ১১ দিনের ছুটির হাতছানি, ভিসা ছাড়াই ঘুরতে পারবেন ৩৭ দেশে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে কিছু মহল: প্রধানমন্ত্রী ছয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আরাগচির ফোনালাপ নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সাবস্টেশনে আগুন প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার শিক্ষককে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী হাওর পাড়ে থেমে থেমে বৃষ্টি, দুশ্চিন্তায় কৃষক জ্বালানির উচ্চমূল্যে পিষ্ট হচ্ছেন মার্কিনিরা: ট্রাম্পের সমালোচনায় কংগ্রেস সদস্য ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের মাধ্যমে লুটপাটকারীদের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে: আখতার সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশ ও নেপালের ৩৭ আলোকচিত্রী, ইত্তেফাকের একজন ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: সব পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী

এডিসি হারুন-সানজিদাসহ ফেঁসে যাচ্ছেন পাঁচজন

ছাত্রলীগের তিন নেতাকে থানায় ধরে নিয়ে বেধড়ক মারধরের ঘটনায় ফেঁসে যাচ্ছেন সাময়িক বরখাস্ত রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি)
  • আপলোড সময় : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, দুপুর ১০:৫৯ সময়
  • আপডেট সময় : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, দুপুর ১০:৫৯ সময়
এডিসি হারুন-সানজিদাসহ ফেঁসে যাচ্ছেন পাঁচজন ছবি : সংগৃহীত
ছাত্রলীগের তিন নেতাকে থানায় ধরে নিয়ে বেধড়ক মারধরের ঘটনায় ফেঁসে যাচ্ছেন সাময়িক বরখাস্ত রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদ ও এডিসি সানজিদা আফরিনসহ পাঁচজন।

অন্যরা হলেন- এডিসি সানজিদা আফরিনের স্বামী রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক এবং ছাত্রলীগের দুই নেতা। এ ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তদন্তে তার দায় পেয়েছে তদন্ত কমিটি। গতকাল সোমবার তদন্ত কমিটি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ছাত্রলীগের দুই নেতাকে নির্যাতনের ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন আজ মঙ্গলবার জমা দেওয়া হবে। এডিসি হারুন, এডিসি সানজিদা আফরিন, তার স্বামী আজিজুল হক এবং ছাত্রলীগ নেতাদেরও দায় পাওয়া গেছে। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশও করেছে তদন্ত কমিটি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, আজ মঙ্গলবার তারা ডিএমপি কমিশনারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেবেন। ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরেই এমন ঘটনা ঘটেছে। যা পুলিশ ও প্রশাসনের সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট আরেকটি সূত্র জানায়, হাসপাতাল থেকে নেয়ার পর শাহবাগ থানার ওসির কক্ষে আটকে ছাত্রলীগের তিন নেতাকে মারধর করে পুলিশ। এডিসি হারুনের নেতৃত্বে শাহবাগ থানার পরিদর্শক গোলাম মোস্তফাসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ছাত্রলীগ নেতাদের মারধর করেন। কমিটি ইতিমধ্যে সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করেছে। ঘটনাস্থল বারডেম হাসপাতালের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও সংগ্রহ করেছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় যাদের যতটুকু দায় পাওয়া গেছে, তদন্ত প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব উল্লেখ করা হয়েছে। কাউকে ছাড় দেয়া হয়নি। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ৯ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানায় ডেকে নিয়ে ছাত্রলীগের দুই কেন্দ্রীয় নেতাকে নির্মমভাবে মারধর করেন তখনকার পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার হারুন অর রশিদ।

আহতরা হলেন- ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফজলুল হক হলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ। এই দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এই ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করে ডিএমপি। কমিটির সভাপতি ডিএমপি সদর দফতরের উপপুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) আবু ইউসুফ। অপর দুই সদস্য হলেন রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (নিউমার্কেট জোন) শাহেন শাহ এবং অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা-মতিঝিল বিভাগ) মো. রফিকুল ইসলাম।

এই তদন্ত কমিটির ১৩ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই দিন তদন্ত শেষ করতে না পারায় ডিএমপি কমিশনারের কাছে আরও পাঁচ দিন সময় চায় কমিটি। পরে তাদের পাঁচ দিন সময় দেয়া হয়। সোমবার পাঁচ দিন সময় শেষ হয়েছে।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ