ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী: শামা ওবায়েদ ‘খেলা এখনো শেষ হয়নি, আমাদেরও সময় আসবে’ প্রথমবারের মতো এক মন্ত্রণালয় সামলাতে ৩ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নিশ্চয়ই কোনও প্ল্যান আছে: বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী মন্ত্রী জাতীয় অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৫০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য ইমরান খানকে শিফা হাসপাতালে না নেওয়ায়, সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা পিটিআইয়ের ‘বোরকা আইন’: পর্তুগালে জনসমক্ষে বোরকা ও মুখঢাকা পোশাকে নিষেধাজ্ঞা এলজিআরডি মন্ত্রী হলেন ড. আবদুল মঈন খান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সাচিং প্রু জেরী তথ্যমন্ত্রী হলেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ

শাহরুখের নায়িকা মহিমার মুখে ঢুকে পড়েছিল ৬৭ কাচের টুকরা

মাত্র একটা সিনেমা দিয়েই রাতারাতি তারকা বনে গিয়েছিলেন। তেমনি এক মারাত্মক দুর্ঘটনায় তছনছ হয়ে যায় অভিনেত্রীর জীবন। মরতে
  • আপলোড সময় : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, দুপুর ৪:১০ সময়
  • আপডেট সময় : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, দুপুর ৪:১০ সময়
শাহরুখের নায়িকা মহিমার মুখে ঢুকে পড়েছিল ৬৭ কাচের টুকরা ছবি : সংগৃহীত
মাত্র একটা সিনেমা দিয়েই রাতারাতি তারকা বনে গিয়েছিলেন। তেমনি এক মারাত্মক দুর্ঘটনায় তছনছ হয়ে যায় অভিনেত্রীর জীবন। মরতে মরতে বেঁচে ফিরেন বলিউড অভিনেত্রী মহিমা চৌধুরী।

১৯৯৭ সালে ‘পরদেশ’ ছবির মাধ্যমে শাহরুখ খানের বিপরীতে বলিউডে পা রাখেন মহিমা। সেই ছবি সুপারহিট হয় আর তিনি পান তারকা তকমা। তবে শোবিজ থেকে হারিয়ে যান তিনি। দীর্ঘ সময় পর অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, ১৯৯৯ সালে ‘দিল ক্যায়া কারে’ সিনেমার শুটিংয়ে যাওয়ার পথে বেঙ্গালুরুতে হঠাৎই একটা ট্রাক অভিনেত্রীর গাড়িতে ধাক্কা মারে। এত জোরে ধাক্কা লেগেছিল যে গাড়ির কাচ তার মুখ ক্ষতবিক্ষত করে দেয়।

সে সময়ের ঘটনা সামনে এনে সম্প্রতি মহিমা চৌধুরী বলেন, ‘ওই মুহূর্তে আমার মনে হচ্ছিল যে আমি মারা যাচ্ছি। আশপাশের মানুষ এত ভয় পেয়েছিল যে সাহায্যের জন্য কেউ এগিয়ে আসেনি। অবশেষে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আমার মা আর অজয় দেবগন হাসপাতালে ছুটে এসেছিল। আমি আয়নায় নিজের চেহারা দেখে ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। এরপর আমার বেশ কয়েকটা সার্জারি হয়। ডাক্তার আমার মুখ থেকে ৬৭টা কাচের টুকরা বের করেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘সার্জারির পর ঠিক হয়ে উঠতে দীর্ঘ সময় লেগেছে। আমি সব সময় ঘরের ভেতরেই থাকতাম। আর তখন বাইরের সূর্যের আলো আমার সহ্য হতো না। ডাক্তার আমাকে বাড়ির বাইরে যেতেও নিষেধ করেছিলেন। তখন আমি নিজেই নিজের মুখ আয়নায় দেখে ঘৃণা করতাম, ভয় করত। আমি এই দুর্ঘটনার কথা ইন্ডাস্ট্রির মানুষকে বলিনি। কারণ, আমার মনে হয়েছিল ইন্ডাস্ট্রি আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে। আমি হয়তো জীবনে আর কাজ পাব না। তাই আমি চলচ্চিত্রের জগৎ থেকে নিজেকে সাময়িকভাবে দূরে সরিয়ে নিয়েছিলাম। নিজেকে অন্তরালে রেখেছিলাম। আমার পরিবার তখন আমার পাশে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আমাকে শক্তি দিয়েছিল।’

এখানেই শেষ হয়নি অভিনেত্রীর যুদ্ধ। স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত মহিমা চৌধুরী। গত বছর অভিনেত্রীর ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আনেন অভিনেতা অনুপম খের। সে সময় তিনি খবরটি প্রকাশ করে জানিয়েছিলেন, আলাপ চলতে চলতে জানলাম, ও (মহিমা) ক্যানসারের সঙ্গে লড়ছে। তার সাহস বিশ্বজুড়ে নারীদের জন্য প্রেরণা হতে পারে।

২০০৬ সালে ববি মুখার্জির সঙ্গে সংসার বাধেন মহিমা। ২০১৩ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। তাদের একমাত্র কন্যাসন্তানের নাম আরিয়ানা। বিচ্ছেদের পর মহিমার সঙ্গেই থাকে তার মেয়ে।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কানাডার সঙ্গে চুক্তি করে শুল্ক স্থগিত করলেন ট্রাম্প

কানাডার সঙ্গে চুক্তি করে শুল্ক স্থগিত করলেন ট্রাম্প