ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :

সাইবার নিরাপত্তা আইনে জামিনযোগ্য হচ্ছে আরও দুটি ধারা

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পরিবর্তে প্রণীত সাইবার নিরাপত্তা আইন আরেক দফা সংশোধন হচ্ছে। প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায় ৭ আগস্ট নীতিগত
  • আপলোড সময় : ২৮ আগস্ট ২০২৩, দুপুর ৪:৪৭ সময়
  • আপডেট সময় : ২৮ আগস্ট ২০২৩, দুপুর ৪:৪৭ সময়
সাইবার নিরাপত্তা আইনে জামিনযোগ্য হচ্ছে আরও দুটি ধারা প্রতীকী ছবি
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পরিবর্তে প্রণীত সাইবার নিরাপত্তা আইন আরেক দফা সংশোধন হচ্ছে। প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায় ৭ আগস্ট নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল মন্ত্রিসভা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ওই সময়ের প্রণীত আইনের অজামিনযোগ্য মোট ছয়টি ধারা থেকে আরও দুটি ধারা জামিনযোগ্য করার প্রস্তাব দিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

সোমবার (২৮ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে।

এর আগের খসড়ায় ১৭, ১৯, ২১, ২৭, ৩০ ও ৩৩ নম্বর ধারা অজামিনযোগ্য ছিল। খসড়াটি পুনরায় সংশোধন করে ২১ ও ৩০ নং ধারা জামিনযোগ্য করার প্রস্তাব এসেছে। মন্ত্রিসভার সম্মতি মিললে বহুল আলোচিত আইনটির অজামিনযোগ্য ধারা বাকি থাকবে চারটি।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. সামসুল আরেফিন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, সংশোধন হলে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব বিস্তারিত জানাবেন।

তবে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানান, চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ২৮ আগস্টের মন্ত্রিসভা বৈঠকে সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়া তোলা হচ্ছে। সেখানে অজামিনযোগ্য ছয়টি ধারার মধ্যে আরও দুটি ধারা (২১ ও ৩০) জামিনযোগ্য করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া কিছু বিষয় সংশোধন হতে পারে।

এ প্রসঙ্গে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে নেতিবাচক যা ছিল তা মোটাদাগে সবই আছে সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়ায়। কিছু ধারার শাস্তি ও জরিমানা কমানোর পাশাপাশি জামিনযোগ্য করা হয়েছে, যা আমরা চাইনি। এই আইনের মূল বিষয়ের প্রাধান্য না দিয়ে জনগণের বাকস্বাধীনতা হরণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রতীকী পরিবর্তন এনে মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতার প্রলেপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে সরকার।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২১ ধারায় বলা আছে, কেউ ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে প্রোপাগান্ডা চালালে ১০ বছরের জেল বা ১ কোটি টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। একই অপরাধ কেউ দ্বিতীয়বার করলে তার সাজা দ্বিগুণ হবে। আর বারবার একই অপরাধের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ৩ কোটি টাকা জরিমানার বিধান আছে।

এর আগে ২১নং ধারাটি বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছিল জাতিসংঘ মানবাধিকার-বিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর। এ ছাড়া আইনের ৩০ ধারাসহ আরও কিছু ধারা বাতিল ও সংশোধনের দাবি ছিল টিআইবি, সম্পাদক পরিষদসহ দেশের সাংবাদিক ও সুধী সমাজের প্রতিনিধিদের। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ধারা অভিন্ন রেখে নতুন করে সাইবার নিরাপত্তা আইন করছে সরকার।

অন্যদিকে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৩০ ধারায় বলা আছে, যদি কেউ কোনো ব্যাংক, বিমা বা অন্য কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা মোবাইল আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করে অনুমতি ছাড়া ই-ট্রানজেকশন করেন, তাহলে অনধিক ৫ বছরের জেল বা ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। একই অপরাধ দ্বিতীয়বার করলে ৭ বছরের জেল ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান আছে।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পার্বত্যাঞ্চলে উৎসবের আমেজ, বিজুতে ঐতিহ্যবাহী ‘পাজন’

পার্বত্যাঞ্চলে উৎসবের আমেজ, বিজুতে ঐতিহ্যবাহী ‘পাজন’