ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
গ্রেপ্তার মেজর মোজাফফরের বিচার হবে সামরিক আদালতে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফাইনাল ম্যাচ দেখে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া, পরে মিললো আর্জেন্টিনা ভক্তের ঝুলন্ত মরদেহ দুই ফাইনালেই স্পেনের প্রতিপক্ষ পেয়েছে লাল কার্ড মেসিকে নিষ্ক্রিয় করে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের রহস্য জানালেন লা ফুয়েন্তে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে লিটন দাসকে বিসিবির তলব কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো বিরল সামুদ্রিক ‘ফাইলফিশ’ জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ির বাড়িতে দুদকের অভিযান, করা হচ্ছে সম্পদের তালিকা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ গোল্ডেন বুট এমবাপ্পের, বল-গ্লাভ স্পেনের, ‘সিলভার বল’ যাচ্ছে মেসির ভাগে এডিবির নামে ভুয়া ঋণের প্রলোভন, জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান

২০ দিনে চীনে ৬০০ কোটি ডলারের তেল বিক্রি করেছে ইরান

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল হওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করেছে ইরান।
  • আপলোড সময় : ২০ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৪১ সময়
  • আপডেট সময় : ২০ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৪১ সময়
২০ দিনে চীনে ৬০০ কোটি ডলারের তেল বিক্রি করেছে ইরান

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল হওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করেছে ইরান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মাত্র ২০ দিনের ব্যবধানে দেশটি চীনের কাছে প্রায় ৬০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের তেল বিক্রি করেছে। তবে নতুন করে আঞ্চলিক উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় আবারও কঠোর অবস্থানে ফিরেছে যুক্তরাষ্ট্র।


প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৭ জুন ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের পর যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে। এই সুযোগে ইরান দ্রুত তেল রপ্তানি বাড়িয়ে দেয়। তবে পরিস্থিতি পরিবর্তন হওয়ায় ৭ জুলাই আবারও সেই নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করা হয়। জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকার সময় ইরান প্রায় ২০টি তেলবাহী ট্যাংকারে মালয়েশিয়ার পূর্ব উপকূলীয় সমুদ্রপথ ব্যবহার করে চীনের বিভিন্ন বন্দরে তেল পাঠায়। ১৭ জুন থেকে ৩০ জুন, অর্থাৎ মাত্র ১৩ দিনের মধ্যে প্রায় ৭ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদরে যার মূল্য প্রায় ৬০০ কোটি মার্কিন ডলার।


ইরানের তেল রপ্তানির ওপর যুক্তরাষ্ট্র প্রথম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ১৯৭৯ সালে। এরপর বিভিন্ন সময়ে সেই নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করা হয়। তবুও চীন ইরানি তেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে। বর্তমানে ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই যায় চীনে, যা দেশটিকে ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতায় পরিণত করেছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ও তেল সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ কৌশলে সমুদ্রে এক জাহাজ থেকে অন্য জাহাজে তেল স্থানান্তরের মাধ্যমে এই বাণিজ্য চালিয়ে আসছে ইরান। সাধারণত দক্ষিণ চীন সাগরের নির্দিষ্ট এলাকায় ইরানি ট্যাংকার অবস্থান নেয়। পরে সেখানে অপেক্ষমাণ চীনা ট্যাংকারে পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল স্থানান্তর করা হয় এবং সেখান থেকেই তা চীনের বন্দরে পৌঁছে যায়।


তবে ৭ জুলাই নতুন করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি আবারও জটিল হয়ে উঠেছে। শুধু তেল রপ্তানিই নয়, ইরানের বিভিন্ন বন্দরের ওপরও অবরোধ আরোপ করা হয়েছে। এর ফলে বন্দর থেকে নতুন জাহাজ ছেড়ে যাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। একই সঙ্গে সমুদ্রে থাকা অনেক জাহাজের জন্যও নিজ বন্দরে ফিরে আসা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে ইরানের তেল রপ্তানি কার্যক্রম আবারও বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা