ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
আগামী গ্রীষ্মে বিদ্যুতের ঘাটতি অনেকটাই কমবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী মক্কা চুক্তির বিষয়ে সবকিছু বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার: আইনমন্ত্রী আশপাশের দেশ থেকে মাদক ঢুকিয়ে দেশকে মেধাশূন্য করার চক্রান্ত চলছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী বই দেখে পরীক্ষা দেওয়ায় ৪ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার, দুই শিক্ষককে অব্যাহতি নেপালের বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬২৩ দুই ফোনেই চার্জ আছে, মানে বিদ্যুতের ঘাটতি কম: যুবদল নেতা নয়ন আজাদ কাশ্মীরের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইফতিখার গিলানি লোডশেডিংয়েও ভালো থাকবে মন! ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ড, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ তীব্র কূটনৈতিক চাপে বিদেশি বাহিনীকে উদ্ধার কাজের অনুমতি দিল নেপাল

মোংলা ও সুন্দরবন উপকূল মুক্ত দিবস আজ

বৃহস্পতিবার (৭ডিসেমম্বর) মোংলা ও সুন্দরবন উপকূল মুক্ত দিবস। ১৯৭১সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাক হানাদার বাহিনীকে হটিয়ে এ
  • আপলোড সময় : ৭ ডিসেম্বর ২০২৩, সকাল ৯:৫৭ সময়
  • আপডেট সময় : ৭ ডিসেম্বর ২০২৩, সকাল ৯:৫৭ সময়
মোংলা ও সুন্দরবন উপকূল মুক্ত দিবস আজ ছবি : সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার (৭ডিসেমম্বর) মোংলা ও সুন্দরবন উপকূল মুক্ত দিবস। ১৯৭১সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাক হানাদার বাহিনীকে হটিয়ে এ এলাকা শত্রুমুক্ত করেন।

মোংলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার ও বর্তমান পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আ. রহমান জানান, মুক্তিযুদ্ধের ৯নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর এম,এ জলিল, সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়া উদ্দিন আহমেদ ও কবির আহমেদ মধুর নেতৃত্বে ৭ডিসেম্বর মোংলা বন্দর ও সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকা সম্পূর্ণভাবে শত্রুমুক্ত হয়।

তিনি বলেন, তখন সুন্দরবনে স্থাপিত ৫টি ক্যাম্পে সেনা কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধায়নে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের দেয়া হতো প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা সেখান থেকে সুবিধা মতই আক্রমণ চালাতেন মোংলা, মোড়েলগঞ্জ, রামপাল, শরণখোলা ও পিরোজপুরসহ বিভিন্ন এলাকার পাকবাহিনীর ক্যাম্পগুলোতে। এছাড়া ওই সময়ে মোংলা বন্দরের পশুর নদীতে থাকা পাক হানাদার বাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ এম,ভি মাকরনও ধ্বংস করা হয়।

দীর্ঘকাল পরে হলেও মোংলা পোর্ট পৌরসভার পক্ষ থেকে পৌর পার্ক এলাকায় নির্মিত হয়েছে একটি যুদ্ধ জাহাজ সংবলিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্তম্ভ ও আরেকটি বিজয় স্তম্ভ। ওই সময়ে পাক হানাদাররা নৃশংস গণহত্যা চালায় এ এলাকার নিরীহ মানুষের উপর। এখনো সেই গণহত্যার স্মৃতি বহন করছে মোংলার দামেরখন্ড ও রামপালের ডাকরার বধ্যভূমি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আ. রহমান আরও বলেন, আমরা যারা ৯ম সেক্টরের অধীনে ছিলাম তাদের নেতৃত্বে ছিলেন সুন্দরবন অঞ্চলের সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়া উদ্দিন আহমেদ। মেজর জিয়া, মুক্তিবাহিনী ও নৌ কমান্ডের ত্রিমাত্রিক আক্রমণে পিছু হটতে বাধ্য হয় পাক সেনারা। এখানে ওই সময় উপরে পাক সামরিক বাহিনী ও নদীতে নৌঘাটিতে অবস্থান ছিলো তাদের। পশুর নদীতে পাক বাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ মাকরনে মাইন বসিয়ে তা ডুবিয়ে দেয় মুক্তি নৌ কমান্ডের সদস্যরা।

এরমধ্য দিয়েই ৭ডিসেম্বর পুরোপুরি হানাদার মুক্ত হয় মোংলা ও সুন্দরবন এলাকা। তখন সারাদেশ পাকবাহিনী মুক্ত না হলেও ১৬ডিসেম্বরের আগেই আমরা এ এলাকা শক্র মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছিলাম।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস

দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস