ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে চীনের আরও সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বেইজিং চাইলে সংকট সমাধানে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, চীন এখন পর্যন্ত কিছুটা ভূমিকা রাখলেও তাদের কাছ থেকে আরও বড় সহায়তা প্রত্যাশা করছে ওয়াশিংটন। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংকটে যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে মিত্রদের পাশে দাঁড়ায়, তেমনি ইরান ইস্যুতেও চীনের কাছ থেকে একই ধরনের সক্রিয় সহযোগিতা চান তিনি।
আগামী ১৪ মে বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসার কথা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের। ধারণা করা হচ্ছে, ওই বৈঠকে ইরান ইস্যুই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা নিরসনের উপায় নিয়ে আলোচনা হবে। বিশ্লেষকদের মতে, চীনের সঙ্গে ইরানের ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক থাকায় দেশটি চাইলে তেহরানের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে ইরানের অন্যতম প্রধান তেল ক্রেতা হিসেবে চীনের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এমন পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক শক্তিগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। চীনের ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফেরানো সম্ভব বলেও মত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ১৪ মের এই বৈঠক শুধু দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নয়, বরং বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্যও একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, এই বৈঠক ইরান সংকটের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন