ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারেন রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া কী হবে? বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন, সরকার পাশে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ‘ইলেকশন করে গদি মোটা হয়ে গেছে, জনগণকে আর গোনার টাইম নাই’ আল আকসা মসজিদে ঢুকে পড়েছে শত শত ইসরায়েলি ব্রাজিলিয়ানকে দলে নিয়ে তদন্তের মুখে মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামি ইরানে শক্তিশালী বি-১ বোমারু বিমান ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য যেন রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে আড়াল না হয়ে যায়’ এক এআই মডেলের হ্যাকিংয়ের শিকার অন্য মডেল

টিকাদানের অভাবেই বিপুল সংখ্যক শিশু আক্রান্ত

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, বর্তমানে বাংলাদেশ হামের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। সংস্থাটি দেশের সার্বিক হামের পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে উদ্বেগজনক
  • আপলোড সময় : ২৫ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯:৫৯ সময়
  • আপডেট সময় : ২৫ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯:৫৯ সময়
টিকাদানের অভাবেই বিপুল সংখ্যক শিশু আক্রান্ত

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, বর্তমানে বাংলাদেশ হামের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। সংস্থাটি দেশের সার্বিক হামের পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে উদ্বেগজনক হিসেবে মূল্যায়ন করেছে। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস জানিয়েছেন, আগামী দুই-এক সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ঢাকা বিভাগে হামের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি, যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৮ হাজার ২৬৩ জন। এর মধ্যে ঘনবসতি ও বস্তি এলাকায় রোগী বেশি পাওয়া গেছে, বিশেষ করে ডেমরা, যাত্রাবাড়ি, কামরাঙ্গীরচর, কড়াইল, মিরপুর ও তেজগাঁও শিল্প এলাকায়।


রাজশাহী বিভাগে ৩ হাজার ৭৪৭ জন, চট্টগ্রামে ২ হাজার ৫১৪ জন এবং খুলনায় ১ হাজার ৫৬৮ জন আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ১ থেকে ১৪ বছর বয়সি শিশুদের ৯১ শতাংশের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতির আশঙ্কা রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল পর্যন্ত) হামে ও হামের উপসর্গে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২১৫ জন শিশু আক্রান্ত হয়েছে। মোট মৃত্যুর মধ্যে তিনজন সরাসরি হামে এবং চারজন হামের উপসর্গে মারা গেছে।


১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৪২ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ১৯৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ডব্লিউএইচও বলছে, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ জেলায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে, যা পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। সংস্থাটির মতে, টিকাদান কর্মসূচির ঘাটতি এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াই সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, নিয়মিত বুস্টার ডোজ ও টিকাদান ক্যাম্পেইন না হওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। সর্বশেষ ২০২০ সালে ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হলেও ২০২৪ সালে তা হয়নি। ফলে শিশুদের মধ্যে টিকাদান ঘাটতি তৈরি হয়েছে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার না করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।


সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হরমুজ প্রণালিতে দুটি তেলবাহী ট্যাংকার ইরানের হামলা

হরমুজ প্রণালিতে দুটি তেলবাহী ট্যাংকার ইরানের হামলা