ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানের জাহাজ জব্দের প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন বাহিনী জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি করায় সরকারকে সাধুবাদ জানালো মালিক সমিতি কালবৈশাখী ঝড়ে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অব্যাহত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য প্রতিমন্ত্রী পতিত সরকারের জ্বালানি নীতি ছিল বিতর্কিত: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আইএমএফের ঋণের কাছে দেশের মানুষ জিম্মি: অর্থ উপদেষ্টা চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত মার্কিন অবরোধ না ওঠা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ‘উদ্যোক্তা হান্ট’ বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত ১ কোটি অতিরিক্ত পাঠ্যবইয়ের চাহিদা, নেপথ্যে শিক্ষা অফিসারদের বাণিজ্য

বাজার মূলধন কমলো তিন হাজার কোটি টাকা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবে দেশের পুঁজিবাজারে কয়েক সপ্তাহ ধরে অস্থিরতা বিরাজ করছে। যুদ্ধবিরতির পর কিছুটা ইতিবাচক প্রবণতা
  • আপলোড সময় : ১৮ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ২:৩২ সময়
  • আপডেট সময় : ১৮ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ২:৩২ সময়
বাজার মূলধন কমলো তিন হাজার কোটি টাকা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবে দেশের পুঁজিবাজারে কয়েক সপ্তাহ ধরে অস্থিরতা বিরাজ করছে। যুদ্ধবিরতির পর কিছুটা ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেলেও তা স্থায়ী হবে কি না, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শঙ্কা রয়ে গেছে। গত সপ্তাহে দেশের পুঁজিবাজার প্রায় স্থিতিশীল থাকলেও সূচকে সামান্য পতন দেখা গেছে। ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ারে নিম্নমুখী প্রবণতা ছিল। এতে বাজারের মোট মূলধন কয়েক হাজার কোটি টাকা কমেছে।


প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহের ব্যবধানে ১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২৫৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে ডিএস-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৯০ পয়েন্টে নেমেছে। তবে শরিয়াহ সূচক কিছুটা বেড়ে ১ হাজার ৬৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সপ্তাহে মোট ৩৯০টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২১৩টির দর বেড়েছে, ১৪২টির কমেছে এবং ৩৫টির অপরিবর্তিত ছিল। সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে কয়েকটি বড় ব্যাংক ও ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির শেয়ার।


মোট বাজার মূলধন সপ্তাহ শেষে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় কমেছে। তবে আশ্চর্যজনকভাবে, বাজারে গড় দৈনিক লেনদেন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সপ্তাহে দৈনিক গড়ে লেনদেন হয়েছে ৮১৩ কোটি টাকার বেশি, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ২২ শতাংশ বেশি।


বিশ্লেষকদের মতে, সপ্তাহের শুরুতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা আস্থা ফিরে এলেও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতি অনিশ্চিত থাকায় পরবর্তীতে বিক্রয়চাপ বাড়ে। পাশাপাশি বড় মূলধনি শেয়ারের ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। খাতভিত্তিক লেনদেনে শীর্ষে ছিল প্রকৌশল খাত, এরপর ওষুধ ও রসায়ন এবং বীমা খাত। ব্যাংক খাতও উল্লেখযোগ্য লেনদেনে অংশ নেয়। লেনদেনের শীর্ষে ছিল বিভিন্ন শিল্প ও ব্যাংক খাতের কয়েকটি কোম্পানি, যার মধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান প্রতিদিন গড়ে কয়েক কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন করেছে।


বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও করপোরেট আয়ের অপেক্ষায় থাকা বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানই বাজারকে এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল হতে দিচ্ছে না।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
৫ লাখ শূন্যপদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

৫ লাখ শূন্যপদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী