জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় কার্যসূচি শুরুর আগে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ চেয়েছেন। তিনি বলেন, কার্যসূচিতে প্রদত্ত সম্পূরক কার্যসূচি-তে কিছু বিল আনা হয়েছে, যা তার ধারণা অনুযায়ী অধ্যাদেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত। বিশেষ করে, ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করার জন্য গঠিত বিশেষ কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী কিছু অধ্যাদেশ ল্যাপস (বিলুপ্ত) করার প্রস্তাব রয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর আমির উল্লেখ করেন, “এই অধ্যাদেশগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জুলাই স্পিরিট-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই আমরা এগুলো নিয়ে আলোচনার দাবি করছি।”
আইনমন্ত্রী জানান, বিরোধীদলীয় নেতার উল্লেখিত দুটি বিল কোনো অধ্যাদেশ থেকে উদ্ভূত নয়। এগুলো মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো নতুন বিল, যা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়। তিনি বলেন, “যে অধ্যাদেশগুলো ল্যাপস হয়েছে, সেগুলো পরবর্তীতে বিল আকারে পুনরায় যাচাই-বাছাই করে সংসদের সামনে আনা হবে।”
ডা. শফিকুর রহমান সংসদে বলেন, “আমরা সংবিধানকে ছুঁড়ে ফেলার কথা বলিনি। আমরা সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংস্কারের পক্ষে। সংবিধানে সেই অংশগুলো চাই না, যা গত ৫৪ বছরে ফ্যাসিবাদের জন্ম দিয়েছে।”
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন