জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী সংসদে বিল দুটি উত্থাপন করেন। প্রথম বিলটি সরকারি কর্মচারীদের জবাবদিহিতা ও আনুগত্য নিশ্চিতকরণ এবং কার্যকরী শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নির্ধারণ করে। নতুন ধারা ৩৭ক অনুযায়ী, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বৈধ আদেশ অমান্য, সরকারি নির্দেশ বাস্তবায়নে বাধা বা অন্য কর্মচারীকে প্ররোচিত করা শাস্তিযোগ্য হবে।
অসদাচরণের জন্য তিন ধরনের দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে:
পদ বা বেতন গ্রেডে অবনমন
বাধ্যতামূলক অবসর
চাকরি থেকে বরখাস্ত
অভিযোগ প্রক্রিয়ায় অভিযোগ গঠনের সাত কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিস, তদন্ত কমিটি গঠন এবং ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নিয়মাবলী সংযুক্ত করা হয়েছে। কর্মচারী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আপিল বা রিভিউ করার সুযোগ পাবেন।
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা—
দ্বিতীয় বিল অনুযায়ী, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস ও বিসিএস-এর বাইরে সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের সর্বোচ্চ বয়স ৩২ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে যেসব পদে পূর্বে ৩২ বছরের বেশি বয়স নির্ধারিত, সেগুলো অপরিবর্তিত থাকবে। প্রতিরক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বয়সসীমাও বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী থাকবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চাকরিপ্রার্থীদের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবি এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার জটিলতা বিবেচনায় ২০২৪ সালের অধ্যাদেশ অনুসারে বয়সসীমা ৩২ বছর স্থির করা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ নোট—
বিল দুটি সংসদে কোনো বিতর্ক ছাড়াই কণ্ঠভোটে পাস হয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম দুই বিল পাসে মোট সময় লেগেছে মাত্র আট মিনিট
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি হুবহু পাসের সুপারিশ করেছিল সংসদীয় বিশেষ কমিটি
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন