ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব সমাপ্ত হলো ১৭ ফেব্রুয়ারি, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণের পর। নিঃসন্দেহে তিনি একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তি, কিন্তু ১৮ মাসের শাসনকাল নাগরিকদের জন্য হতাশা, আতঙ্ক এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষাব্যবস্থার বিপর্যয় বয়ে এনেছে।
মূল সমস্যাসমূহ:
মব সন্ত্রাস ও আইনের শাসন: সরকারের শাসনামলে মব বাহিনী গঠিত হয়, যারা আইনের ঊর্ধ্বে কাজ করে, ব্যবসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তার করে।
অর্থনৈতিক বিপর্যয়: দেড় কোটি বেকার এবং দুই কোটি চরম দরিদ্র সৃষ্টি; বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠান লুটপাট ও বন্ধ। বিদেশি কোম্পানির স্বার্থে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ বিক্রি প্রক্রিয়া শুরু।
শিক্ষা ও গণমাধ্যমে উদ্বেগ: শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতা, ক্লাস বন্ধ ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। গণমাধ্যম কর্মীরা হামলার শিকার, সরকারের সমালোচনা নিয়ে দমন।
ক্রীড়া ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক: দেশীয় ক্রীড়ায় ক্ষতি, কূটনৈতিক সম্পর্ক ও দেশের স্বার্থের সুরক্ষায় ব্যর্থতা।
ড. ইউনূসের অর্জনসমূহ:
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গ্রামীণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহ (গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি, গ্রামীণ অ্যামপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস, গ্রামীণ টেলিকম) সরকারি অনুমোদন, করছাড় ও অন্যান্য সুবিধা পায়।গ্রামীণ ব্যাংকের মালিকানা সরকারিভাবে ২৫% থেকে ১০% করা হয় এবং কর অব্যাহতি দেওয়া হয়। শ্রম আইন লঙ্ঘন ও অর্থপাচারের মামলা খালাস।
সংক্ষেপে, ড. ইউনূসের শাসনামলে দেশের জন্য প্রাপ্ত বাস্তব অর্জন শূন্যের মতো, যদিও আন্তর্জাতিক খ্যাতি ও নিজের ব্র্যান্ড প্রচারে তিনি সক্রিয় ছিলেন। যে শান্তি ও নৈতিকতার প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন, তা সাধারণ মানুষের জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
উপসংহার:
ড. ইউনূসের ১৮ মাসের শাসনকালকে বাংলাদেশের জনগণ মনে রাখবে আতঙ্ক, দারিদ্র্য, শিক্ষা ও অর্থনীতিতে বিপর্যয়, এবং গণতান্ত্রিক ও মানবিক অধিকার হ্রাসের সময় হিসেবে। শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হয়নি, শুধুমাত্র ব্যক্তিগত খ্যাতি ও বিদেশী সফরে সময় ব্যয় হয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন