ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক পদায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রাথমিকের বদলি স্থগিত আমি দেশে ফেরার জন্য নির্দেশনা দিয়ে কাউকে বিপদে ফেলতে চাই না ৩০ থেকে ৭০এর দশকেও সুস্থ রাখতে পারে এই অভ্যাস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দর বন্ধ, আটকা ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন বাবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম ঠাকুরগাঁও সফর, আবেগঘন বার্তা দিলেন কন্যা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, ভিন্ন চিত্র পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য ১১টি করণীয় আমল সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ওরিয়েন্টেশন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

নেপালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে সুশীলা কারকির নাম প্রস্তাব জেন-জি’র

নেপালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকির নাম প্রস্তাব করেছে জেন-জি বিক্ষোভকারীরা। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর)
  • আপলোড সময় : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ৯:৩১ সময়
  • আপডেট সময় : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ৯:৩১ সময়
নেপালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে সুশীলা কারকির নাম প্রস্তাব জেন-জি’র ছবি : সংগৃহীত

নেপালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকির নাম প্রস্তাব করেছে জেন-জি বিক্ষোভকারীরা। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে কাঠমান্ডুতে সভা করে এই সিদ্ধান্ত জানায় তরুণরা।


এদিন সামরিক বাহিনীর হেডকোয়ার্টার্সে সেনাপ্রধানের নেতৃত্বে হয় বিশেষ এই আলোচনা। এতে অনলাইনে বিভিন্ন জেলা থেকে আন্দোলনকারী নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিরা যোগ দেন। সন্ধ্যা থেকে টানা ছয় ঘণ্টা ধরে চলে ম্যারাথন আলোচনা। সেখানে নিজেদের দাবিদাওয়া তুলে ধরে জেন-জি প্রতিনিধিরা।


এ সময়, প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বিক্ষোভকারীদের হত্যায় নির্দেশদাতাদের গ্রেফতার ও সাজার দাবি জানান তারা। সেইসাথে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকির নাম প্রস্তাব করা হয়। পরে জেনজির অনুরোধে দায়িত্ব নিতে সাড়া দিয়েছেন সুশিলা কারকি এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতে।


এর আগে, নেপালে সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া জেনজিদের আন্দোলন রূপ নেয় সরকার বিরোধী তীব্র বিক্ষোভে। পুলিশের গুলি ও সহিংসতায় প্রাণহানি হয় ৩০ জনের। এর ফলে পদত্যাগ করে পালাতে বাধ্য হন প্রধানমন্ত্রীসহ ক্ষমতাসীনরা।


উল্লেখ্য, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির জন্য আলোচিত ছিলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশিলা কারকি। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিক্ষোভে সমর্থনও দেন এই প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি। সেইসাথে সরব ছিলেন হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধেও।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?

রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?